বর্তমানে চাকরির বাজর খুবই খারাপ। স্নাতক, স্নাতকোত্তর এর মত উচ্চশিক্ষা লাভ করেও চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে ছেলেমেয়েরা। দীর্ঘ এক বছরের বেশি করোনা আবহে চাকরির বাজার হয়েছে আরও নিম্নগামী। লকডাউন, আর্থিক সঙ্কটে প্রচুর লোক নিজের চাকরি হারিয়েছেন। বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করার ক্ষেত্রে চাকরির নিরাপত্তার অভাবে অনেকেই সরকারি চাকরির দিকে ঝুঁকছেন। প্রস্তুতি নিচ্ছেন সরকারি চাকরির পরীক্ষা পাশ করার। শিক্ষকতা একটি মহৎ পেশা। সমাজ গড়ার কারিগর হিসেবে শিক্ষকদের গণ্য করা হয়। এই পেশায় সম্মানের পাশাপাশি বেতন ক্রম ও যথেষ্ট ভালো। আর কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হলে সম্মান ও বেতন বেড়ে যায় কয়েকগুণ। তার পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রেও মেলে অনেক সুযোগ।

এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বিভাগে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হল। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য নন্দদেব কলেজ এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। যে পদ গুলির জন্য আবেদন করা যাবে সব গুলি স্থায়ী পদ। সপ্তম বেতন কমিশনের পে ম্যাট্রিক্স অ্যাকাডেমিক পে লেভেল ১০ অনুসারে প্রাথমিক পর্যায়ে বেতন হবে ৫৭,৭০০ টাকা এর সঙ্গে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের যাবতীয় ভাতা মিলবে।

এই নিয়োগের বিজ্ঞাপন ৮ মে এমপ্লয়মেন্ট নিউজের সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের৪ সপ্তাহ পর অবধি আবেদন করা যাবে সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র বা কলেজের ওয়েবসাইটে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর পদে ৪১ টি শূন্য পদে নিয়োগ হবে।

শূন্য পদের বিবরণ: বায়ো মেডিক্যাল সায়েন্স: ৪ টি, বোটানি: ৫ টি, কেমিস্ট্রি: ২ টি, কমার্স ৫ টি, কম্পিউটার সায়েন্স ৫ টি, ইলেকট্রনিক ১ টি, অঙ্ক ৫ টি, ফিজিক্স ৯ টি ও জুলোজি ৫ টি পদ।

উপরোক্ত পদ গুলির বয়সের সময়সীমা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশনের ২০১৮ সালের রেগুলেশন ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরবর্তী অ্যামেন্ডমেন্ট অনুসারে নির্ধারিত। এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য colec.du.ac.in ওয়েবসাইট ভালো করে দেখুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.