বার্সেলোনা: ম্যাচ শুরুর আগে নু-ক্যাম্পে উপস্থিত অনুরাগীদের সামনে তাঁর ষষ্ঠ ব্যালন ডি’অর প্রদর্শন করেন লিওনেল মেসি। স্বাভাবিকভাবেই এমন একটা দিনে পারফরম্যান্সের দিক দিয়েও নিজেকে ছাপিয়ে যেতে মরিয়া ছিলেন ছ’বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। আর ম্যাচ শেষে যখন মাঠ ছাড়লেন, তখন এলএমটেনের নামের পাশে লা লিগার একক সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিকধারীর তকমা।

আর মেসির হ্যাটট্রিকের সৌজন্যেই ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষ মায়োরকাকে ৫ গোলে বিদ্ধ করল বার্সেলোনা। দলের জয়ে অবদান রাখলেন ‘এমএসজি’র প্রত্যেকেই। এদিন প্রথমার্ধে ব্যাকহিল থেকে করা বিশ্বমানের গোলটাকে ম্যাচ শেষে ‘কেরিয়ার সেরা’ তকমা দিলেন সুয়ারেজ নিজেই। নু-ক্যাম্পে এদিন ম্যাচের ৭ মিনিটে ডেডলক ওপেন করেন আতোয়াঁ গ্রিজম্যান। টার স্টিগেনের তোলা লম্বা বল ধরে বক্সে আগুয়ান গ্রিজম্যান বিপক্ষ গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে দৃষ্টিনন্দন কায়দায় বল জালে রাখেন। এরপর নু-ক্যাম্পে শুরু মেসি ম্যাজিক।

আরও পড়ুন: রাশফোর্ড-মার্শিয়াল যুগলবন্দিতে ম্যাঞ্চেস্টার ডার্বির রং লাল

১৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া মেসির দূরপাল্লার কার্লিং শটের কোনও উত্তর ছিল না বিপক্ষ গোলরক্ষক রেইনার কাছে। ৩৫ মিনিটে আন্তে বুদিমির’র গোলে ব্যবধান কমায় মায়োরকা। কিন্তু ছ’মিনিট বাদে ফের একবার ঝলসে ওঠে জাদুকরের বাঁ-পা। প্রথম গোলের ধাঁচেই পরিচিত দূরপাল্লার শটে ফের ব্যবধান বাড়িয়ে নেন মেসি। এর ঠিক দু’মিনিট বাদে ইভান রাকিটিচের থ্রু বল ধরে সুয়ারেজের বিশ্বমানের ব্যাকহিল বহুদিন মনের মনিকোঠায় রয়ে যাবে অনুরাগীদের।

আরও পড়ুন: কোহলির ইনিংসের প্রশংসায় নিজের ছবির ডায়লগ ধার করলেন বিগ-বি

দ্বিতীয়ার্ধে ৬৪ মিনিটে মায়োরকার হয়ে ফের একবার ব্যবধান কমান বুদিমির। কিন্তু হ্যাটট্রিক দিয়েই দিনটা শেষ করতে চেয়েছিলেন মেসি। ম্যাচ শেষের সাত মিনিট আগে বক্সের মধ্যে জোরালো শটে লা লিগার ৩৫তম হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন মেসি। অর্থাৎ ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ছাপিয়ে লা-লিগার সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিকধারী এখন এই আর্জেন্তাইন। পাশাপাশি এই জয়ের ফলে ১৫ ম্যাচে রিয়ালের সমসংখ্যক ৩৪ পয়েন্ট নিয়েও গোলপার্থক্যে শীর্ষেই রইল কাতালান ক্লাবটি। সবধরনের প্রতিযোগীতা মিলিয়ে টানা ছয় ম্যাচে জয় পেল ভালভের্দের দল।