পরোটা কার না ভালো লাগে বলুন তো? মুচমুচে হোক বা পুর ভরা নরম তুলতুলে, জাস্ট দুই আঙুলেই ছিঁড়ে মুখে চালান করতে পারলে, আহা, কোনও কথাই নেই! অনেকের অবশ্য সাতসকালে হোক বা ডায়েট চার্টে হোক, পরোটাকে স্থান দিতে আপত্তি থাকলেও, অতিথিদের করে খাওয়াতে তো কোনো সমস্যা নেই! কি বলেন? তাহলে চটজলদি একবার ডিম-আলুর পরোটার রেসিপিতে চোখ বুলিয়ে নিন৷ আর তা গেস্টকে খাইয়ে পাতে গরম কমপ্লিমেন্টস নিয়ে নিন৷

ডো তৈরির উপকরণ: ময়দা ২ কাপ।
লবণ আন্দাজ মতো।
সাদা সয়াবিন তেল ২ টেবিল-চামচ।
বেকিং পাউডার ১/৪ চা-চামচ।
পরিমাণ মতো জল৷

ডিমের পুরের জন্য: ২টি ডিম।
পেঁয়াজকুচি ১/৩ কাপ।
কাঁচা মরিচ- কুচি করা ২ টেবিল-চামচ।
গোলমরিচ-গুঁড়ো ১/৪ চা-চামচ।
রসুন পাউডার বা রসুনবাটা একদম একটু পরিমাণে।
ধনেপাতা-কুচি কিছুটা।

পরোটা ভাজার জন্য পরিমাণ মতো তেল রেডি রাখুন৷

কিভাবে তৈরি করবেন?
ডিম বাদ দিয়ে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে নিন। এরপর ডিম ফাটিয়ে দিন তাতে। ডিমটা চামচ দিয়ে ফেটে দেবেন, কিন্তু ব্লেন্ড করবেন না যেন৷ এবার আলুর পুরের জন্য ১টি বড় আলু সিদ্ধ করে তাতে ধনে পাতা, লবণ আর গোলমরিচ দিয়ে ভর্তার মতো তৈরি করুন৷ ময়দার সঙ্গে বেকিং পাউডার ও লবণ মিশিয়ে নিন। এবার তাতে তেল দিয়ে মিশিয়ে পরিমাণ মতো একটু একটু করে জল দিয়ে ময়ান করুন। ডো বেশি শক্ত আবার বেশি নরমও যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে৷ ডো তৈরি হয়ে গেলে, একটা ভেজা পাতলা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে ১০ মিনিট রেখে দিন।

এবার প্যানে তেল দিয়ে, মাঝারি আঁচে গরম হতে দিন। অন্যদিকে ডো নিয়ে মাঝারি আকারের রুটি তৈরি করে এর উপরে আলু আর ডিমের মিশ্রণটা দিন কিছুটা৷ রুটিটা ভাঁজ করুন, তবে ভাঁজের সময় সামান্য জল ব্যবহার করুন যেন ভাঁজ খুলে না যায়। এবার গরম তেলে ছেড়ে দিয়ে সেটি সোনালি রং করে ভাজুন। তবে ভাজার সময়, মাঝারি আঁচে ভাজবেন আর পরোটা যেন তেলের বাইরে অর্ধেক আর তেলের মাঝে অর্ধেক ডুবে থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে৷ ভাজা হয়ে গেলে স্যালাড বা সস্ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন৷