সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা : বর্ষা বিদায়েই উৎসবের দিনে সুখবরের সম্ভাবনা দেখছে হাওয়া অফিস। পূজো প্ৰস্তুতিও ভালোই হবে বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে সুখবরের সম্ভাবনা কতটা বাস্তব হবে এর জন্য বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের দিকে তাকিয়ে আবহবিদরা।

মরসুমের শুরু থেকেই হাওয়া অফিসকে দোলাচলে রেখেছে আবহাওয়া। স্বাভাবিক নিয়মের বদলে দক্ষিণবঙ্গ দিয়ে প্রবেশ করে বর্ষা। এক সপ্তাহের মধ্যেই শুরু বিরতি। তাপমাত্রা চরমে পৌঁছয়। টানা দুই সপ্তাহ চলে তাপপ্রবাহ। এরপর আবারও ফেরে বর্ষা। তবে মরসুমের শেষ করেও ‘কনফিউশন’ শব্দটা যাচ্ছে না বর্ষার তালিকা থেকে। সাগরের ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সে পূজো পণ্ড করবে কি না তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না।

হাওয়া অফিসের সহ অধিকর্তা ডঃ সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এখনও পর্যন্ত আমরা যা দেখছি সেই অনুযায়ী প্রাক পূজো অর্থাৎ পূজো প্রস্তুতিতে সমস্যা নেই। আমরা পাঁচদিন পর্যন্ত পূর্বাভাস একদম সঠিক দিয়ে থাকি। পূজো স্পেশ্যাল ইভেন্ট। সে জন্য দশ দিন পর্যন্ত আমরা খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছি। সেই অনুযায়ী ব্যাপক কোনও দুর্যোগের সম্ভাবনা নেই।”

একইসঙ্গে তিনি বলেন, “ষষ্ঠী আজ থেকে দশ দিনেরও পরে। পুরো পুজোটাই এরপর থেকে ১০ দিনের পর হচ্ছে। তাই পুজোয় দুর্যোগ হবে কি হবে না সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আমরা নজরে রাখব দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপের দিকে। আট অক্টোবর সেটা তৈরি হবে। এরপর সেটার অভিমুখ কোনদিকে হবে তার উপর নির্ভর করছে পুজোর পাঁচদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস।”

আট তারিখ ওই নিম্নচাপের জেরে কলকাতা সহ রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। পাহারেও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। এটি ওডিশা উপকূলের দিকে ক্রমে এগিয়ে যাবে। এর দিকেই তাকিয়ে হাওয়া অফিস। নিম্নচাপের হাওয়া যেমন ঘুরবে তেমনই কাটবে বাঙালির ‘জি.আই’ ট্যাগ দেওয়া প্রাণের পুজো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।