বার্সেলোনা: তিনমাস পর গত সপ্তাহে করোনা পরবর্তী সময় প্রিমিয়র ডিভিশন ফুটবল চালু হয়েছে স্পেনে। আর চালু হতে না হতেই ‘র‍্যাট রেস’ শুরু হয়ে গেল লা লিগায়। লকডাউন পরবর্তী প্রথম দু’টি ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ব্যবধানটা বজায় রেখেছিল বার্সেলোনা। প্রথম দু’টি ম্যাচ জিতে বার্সাকে ধাওয়া করার বিষয়টি জারি রেখেছিল রিয়াল মাদ্রিদও। লাস্ট ল্যাপে এসে পদস্খলন মানেই অন্যজনের সুবিধা হয়ে যাওয়া।

যেমনটা শনিবার সেভিয়ার কাছে আটকে গিয়ে কাঁধে নিঃশ্বাস ফেলা রিয়াল মাদ্রিদের বেশ সুবিধা করে দিল কাতালান ক্লাবটি। অর্থাৎ পরের ম্যাচে জয় তুলে নিতে পারলে পয়েন্টের নিরিখে বার্সেলোনাকে ছোঁয়ার সুযোগ চলে এল লস ব্ল্যাঙ্কোসদের কাছে। সেভিয়ার ঘরের মাঠে এদিন সেভিয়া-বার্সেলোনা ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্য অবস্থায়। গত দু’ম্যাচে স্কোরশিটে নাম তুললেও সেভিয়ার বিরুদ্ধে এদিন খালি হাতেই ফিরলেন এলএম টেন। কেরিয়ারে ৭০০তম গোলের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হল আর্জেন্তাইন মায়েস্ত্রোর।

ভারতীয় সময় সোমবার রাত ১টা ৩০ মিনিটে রিয়াল সোসিয়েদাদের মুখোমুখি হবে জিনেদিন জিদানের ছেলেরা। ওই ম্যাচ জিতে পুনরায় লিগ শীর্ষে চলে যেতে পারেন র‍্যামোস-বেনজেমারা। সারা ম্যাচ জুড়ে এদিন সুয়ারেজের একটি ইতিবাচক সুযোগ এবং লিওনেল মেসির কয়েকটি ফ্রি-কিক ছাড়া সেই অর্থে বিপক্ষ গোলরক্ষককে আর সমস্যায় ফেলতে পারেনি বার্সেলোন। বরং অতিরিক্ত সময়ে দিনের সহজতম সুযোগটি মিস করে তিন পয়েন্ট হাতছাড়া করে বসেন সেভিয়ার সার্জিও রেগুইলন।

এদিকে ম্যাচ শেষে বার্সেলোনা ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে জানিয়েছেন, এই ড্র বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়নশিপের পথে অনেকটা বাধা হয়ে দাঁড়াল। তাঁর কথায়, রিয়াল মাদ্রিদকে দেখে আমার মনে হচ্ছে না ওরা আর পয়েন্ট নষ্ট করবে বলে। কিন্তু দলের ডিফেন্ডারের এমন মন্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন হেড কোচ কিকে সেতিয়েন। তিনি বলেন, ‘পিকে হতাশা থেকে এমন কথা বলছে। আমি নিশ্চিত আগামীকাল ও নিজের মত পালটাতে বাধ্য হবে। আর রিয়াল মাদ্রিদ পয়েন্ট খোয়াবে সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।’

ড্র’য়ের ফলে ৩০ ম্যাচে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে আপাতত শীর্ষেই সেতিয়েনের দল। সোসিয়েদাদকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান এখন পুনরুদ্ধারের সুযোগ কাজে লাগাতে পারে কীনা লস ব্ল্যাঙ্কোসরা, এখন সেটাই দেখার। ২৯ ম্যাচে রিয়ালের সংগ্রহে ৬২ পয়েন্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.