মাদ্রিদ: গোড়ালির চোট সারিয়ে নভেম্বরের পর প্রথম মাঠে নামলেন ইডেন হ্যাজার্ড। কিন্তু ক্লাবের সবচেয়ে দামী ফুটবলারের প্রত্যাবর্তনের দিনে লা-লিগায় চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে হোঁচট খেল রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে সেল্টা ভিগোর সঙ্গে ২-২ ব্যবধানে আটকে গেল লস ব্ল্যাঙ্কোসরা।

ম্যাচের ৭ মিনিটে মাদ্রিদ অনুরাগীদের চুপ করিয়ে ম্যাচে সেল্টা ভিগোকে এগিয়ে দেন ফেদর সোলোভ। প্রত্যাবর্তন ম্যাচে সব চোখ হ্যাজার্ডে থাকলেও শুরুতেই ভুল করে বসে রিয়াল রক্ষণ। রাফায়েল ভারানে-ডানি কার্ভাহালের ভুলের সুযোগ নিয়ে জাল কাঁপিয়ে দেন সোলোভ। পক্ষান্তরে প্রথমার্ধ জুড়ে বিপক্ষের গোল লক্ষ্য করে একটিও শট নিতে ব্যর্থ জিদানের ছেলেরা। উলটে বিরতির ঠিক আগে তিনকাঠির নীচে থিবো কুর্তোয়ার অ্যাক্রোবেটিক সেভ দ্বিতীয়বার পতন রোধ করে রিয়াল দুর্গের।

বিরতির পর ড্রেসিংরুমে জিদানের পেপটকে বদলে যায় রিয়ালের শরীরী ভাষা। ৪৯ মিনিটে বেলের পাস থেকে অধিনায়ক রামোসের গোল অফসাইডের জন্য বাতিক করেন রেফারি। যদিও গোলের জ্য রিয়েলের হা-পিত্যেস দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ৫২ মিনিটে লেফট-ব্যাক মার্সেলোর কাটব্যাক থেকে বক্সের মধ্যে ক্রুজের দুরন্ত বাঁ-পায়ের ভলি খুঁজে নেয় গোলের ঠিকানা। এরপর তেল খাওয়া মেশিনের মতো দ্বিতীয়ার্ধে ছুটতে থাকা রিয়াল দ্বিতীয় গোল পায় ৬৫ মিনিটে। সৌজন্যে বেলজিয়ান মিডিও হ্যাজার্ড।

কামব্যাক ম্যাচে বল ধরে বক্সে আগুয়ান হ্যাজার্ডকে অবৈধ বাধা দেন সেল্টা গোলরক্ষক। পেনাল্টি দিতে কোনও ভুল করেননি রেফারি। আর পেনাল্টি দিতে দলকে এগিয়ে দিতেও কোনরকম ভুলচুক করেননি রিয়াল অধিনায়ক রামোস। কিন্তু না টানা ষষ্ঠ ম্যাচে জয় শেষমেষ এদিন ধরা দিল না রিয়ালের কাছে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে দুই সুপার-সাবের যুগলবন্দিতে ম্যাচে সমতা ফেরায় সেলাটা ভিগো।

৮৫ মিনিটে রিয়াল রক্ষণকে বোকা বানিয়ে ডেনিস সুয়ারেজের থ্রু ঠান্ডা মাথায় জালে রাখেন মিনা। ২-২ গোলে শেষ হয় ম্যাচ। জয়ের ফলে ২৪ ম্যাচে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকলেও দ্বিতীয়স্থানে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে লস ব্ল্যাঙ্কোসদের পয়েন্টের ব্যবধান কমে দাঁড়াল এক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.