মাদ্রিদ: পরপর দু’সপ্তাহে সুপার কাপ এবং কোপা দেল রে থেকে ছিটকে যাওয়ার পর শনিবার লা-লিগার ম্যাচে আলাভেসের বিরুদ্ধে রিয়াল মাদ্রিদের ছিল অ্যাসিড টেস্ট। শীর্ষস্থানে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমাতে এই ম্যাচে জয় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। তার উপর করোনা আক্রান্ত হওয়ার ডাগ-আউটে ছিলেন না কোচ জিনেদিন জিদান। তবে সব প্রতিকূলতাকে দূরে সরিয়ে অ্যাওয়ে ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিল লস ব্ল্যাঙ্কোসরা।

আলাভেসকে হারিয়ে শীর্ষে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়ে আনলেন বেনজেমারা। আলাভেসের ঘরের মাঠে এদিন রিয়ালের ম্যাচ জয়ের নায়ক এডেন হ্যাজার্ড। একটি গোল করার পাশাপাশি একটি গোল করালেন বেলজিয়ান মিডিও। জোড়া গোলে রিয়ালের ম্যাচ জয়ের আরেক নায়ক ফরাসি স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা। তবে ম্যাচের ১৫ মিনিটে লস ব্ল্যাঙ্কোসদের হয়ে গোলের খাতা খলেন ক্যাশেমিরো। কর্নার-কিক থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান।

প্রথমার্ধে নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট আগে ফের গোল রিয়ালের। লম্বা পাস ধরে হ্যাজার্ড ব্যাকহিলে তা সাজিয়ে দেন বেনজেমার জন্য। সাজানো বল থেকে জোরালো শটে নিজের প্রথম এবং দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন করিম বেনজেমা। অ্যাসিস্টের পর সংযুক্তি সময়ে গোলের খাতায় নাম লেখান হ্যাজার্ড নিজেই। ক্রুসের পাস ধরে বেলজিয়াম মিডিও নিজের গোলখরা কাটান। লা লিগায় এটি হ্যাজার্ডের প্রথম অ্যাওয়ে গোল। অফসাইড ট্র্যাপ করতে গিয়ে এক্ষেত্রে বিপাকে পড়ে আলাভেস ডিফেন্স।

দ্বিতীয়ার্ধে ৫৯ মিনিটে যদিও একটি গোল শোধ করে আলাভেস। ফ্রি-কিক থেকে জোসেলুর শট থিবো কুর্তোয়াকে পয়াস্ত করে গোলে প্রবেশ করে। তবে এই গোল ম্যাচের পটপরিবর্তন করতে পারেনি। কারণ ম্যাচ শেষের ২০ মিনিট আগে মদ্রিচের থ্রু বল ধরে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে ফেলেন বেনজেমা।

ম্যাচ শেষে হ্যাজার্ডকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত রিয়ালের সহকারী কোচ ডেভিড বেত্তোনি জানান, ‘হ্যাজার্ড একজন দারুণ ক্রিয়েটিভ ফুটবলার। অসম্ভব চোট-আঘাতে ভুগেছে ছেলেটা। ওঁর উপর আমাদের ধৈর্য্য ধরতেই হবে। ও ভীষণ প্রতিভাবান। আশা রাখি ও ধীরে ধীরে সেরা ছন্দে ফিরবে।’ এই জয়ের ফলে লিগ টেবিলে দ্বিতীয়স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের সংগ্রহে ১৯ ম্যাচ খেলে ৪০ পয়েন্ট। শীর্ষস্থানে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ঝুলিতে দু’ম্যাচ কম খেলে ৪৪ পয়েন্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।