মুম্বই: চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া। বুধবার বলিউডকে খালি করে চলে গেলেন অভিনেতা ইরফান খান। বাংলার টলি পাড়াতেও অভিনেতা থেকে পরিচালক তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। মাত্র ৫৩ বছরে অভিনেতার চলে যাওয়া এখনও মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই।

পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় ফেসবুকে একটি পোস্টে লিখেছেন, যেমন আমার মারা যাওয়ার আগে নাসিরুদ্দিন শাহ, আশা ভোঁশলে এবং অল্প হলেও অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করা হয়ে গেছে। তেমনই হলো না ঋতুদাকে অ্যাসিস্ট করা বা ইরফানের সঙ্গে কাজ করা। বহুবার মিটিং হয়েছিল হেমলকের হিন্দি নিয়ে। কিন্তু আনন্দ কর আর হলো না। রূপোলি পর্দায় অন্যতম অভিনেতা ছিলেন। ইংলিশ মিডিয়াম রিলিজ করার আগে ওর সেই লড়াকু বার্তা মনে রাখব। ওঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। কিংবদন্তীদের মধ্যে থাকুক ও।

অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য ইরফানের একটি ছবি পোস্ট করে লিখছেন, কোনো মানে হয় না। কোনো মানে হয় না আমায় কোনো মানে বোঝালেও আমি শুনব না। আমার কাছে এর কোনো মানে হয় না।

পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় লিখছেন, আমি এটা নিতে পারছি না। আমি এই খবর মেনে নেব না। আমরা ওঁর অসুস্থতা সম্পর্কে জানতাম। কিন্তু এই পরিণতি কোনও দিন ভাবিনি। এত তাড়াতাড়ি নয়। এই আঘাত কমতে সময় লাগবে। ওঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।

অভিনেত্রী সাংসদ মিমি চক্রবর্তী লিখেছেন, আমি যা দেখছি তা বিশ্বাস করতে পারছি না। ওঁর জায়গা কেউ নিতে পারবে না। বড় ক্ষতি হয়ে গেল। কোথাও দেখতে পারব না ওঁকে। সব কিছু থেকে অনেক দূরে চলে গেলেন। ওঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।

অভিনেত্রী শ্রাবন্তী টুইট করেছেন, ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হয়ে গেল। ওঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।
নুসরত জাহান লিখেছেন, কিংবদন্তী অভিনেতা ইরফান খানের মৃত্যুর খবরে শোকাহত। জীবন সত্যি অনিশ্চিত। ওঁর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি আমার সহানুভূতি।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার আচমকা শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে মুম্বইয়ের কোকিলাবেন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। ক্যান্সারে আক্রান্ত ইরফানের চিকিৎসা চলছিল বিদেশে। ২০১৮-তে বিরল রোগে আক্রান্ত হন তিনি। এরপর থেকে তাঁকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। সম্প্রতি তাঁর শেষ অভিনীত ছবি ‘ইংরেজি মিডিয়াম’ মুক্তি পায়।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।