মুম্বই: ওয়াংখেড়ের বাইশ গজে আজ রয়্যাল ভার্সেস রয়্যালস৷ জয়ের হ্যাটট্রিকের পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সামনে আজ রাজস্থান রয়্যালস৷ টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন রয়্যাল অধিনায়ক বিরাট কোহলি৷ এদিন একটি পরিবর্তন করেছে আরসিবি৷

প্রথম তিন ম্যাচে ব্যর্থ রজত পতিদারকে বসিয়ে দলে কেন রিচার্ডসনকে নিল রয়্যাল থিঙ্কট্যাঙ্ক৷ টস জিতে আরসিবি ক্যাপ্টেন কোহলি বলেন, ‘এখানে শিরির পড়ে৷ তবে এটা হাইস্কোরিং গ্রাউন্ড৷ আমরা ভালো ব্যাট করছি৷ এখানে রান তাড়া করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী৷ বোলিংও একই অবস্থা৷ এখানকার পিচকে ব্যবহার করতে চাই৷ এই পিচ ব্যাটসম্যানদের জন্য দারুণ৷ তবে বোলারদের ব্যাপারটা নিশ্চিত হতে পারছি না৷ এদিন দলে একটি পরিবর্তন করা হয়েছে৷ রজত পতিদারের পরিবর্তে দলে এসেছে কেন রিচার্ডসন৷

প্রথম তিন ম্যাচ জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স দারুণ ছন্দে থাকলেও রাজস্থান রয়্যালস প্রথম তিন ম্যাচের মধ্যে একটি জিতেছে৷ তবে আগের ম্যাচের দলে একটি পরিবর্তন করেছে রাজস্থান৷ জয়দেব উনাদকটের পরিবর্তে দলে এসেছেন শ্রেয়স গোপাল৷টস হেরে রয়্যালস ক্যাপ্টেন স্যামসন বলেন, ‘আইপিএল খেলতে হলে হৃদয় দিয়ে খেলতে হবে৷ উত্থান-পতন থাকবেই৷ দলে একটি পরিবর্তন হয়েছে৷ জয়দেব উনাদকটের পরিবর্তে দলে এসেছে শ্রেয়স গোপাল৷

আজ রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জিতলে ফেরে শীর্ষস্থান দখল করবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স৷ রয়্যাল ব্যাটিংকে পথ দেখাচ্ছেন দুই বিদেশি এবি ডি’ভিলিয়ার্স ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল৷ আগের ম্যাচে কেকেআর বোলারদের বিরুদ্ধে নির্মম ছিলেন এই দু’জনে৷ ৩৪ বলে ৭৬ রান করেন এবিডি এবং ৪৯ বলে ৭৮ রান করেন ম্যাক্সওয়েল৷ সুতরাং আরসিবি-র এই ব্যাটসম্যানদের সামনে কঠিন পরীক্ষা রাজস্থান রয়্যালস বোলারদের৷

আরসিবি একাদশ: বিরাট কোহিল (ক্যাপ্টেন), দেবদূত পারিক্কল, শাহবাদ আহমেদ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, এবি ডি’ভিলিয়ার্স, ওয়াশিংটন সুন্দর, কাইল জেমিসন, হর্যল প্যাটেল, মহম্মদ সিরাজ, যুবেন্দ্র চাহাল ও কেন রিচার্ডসন৷

রাজস্থান রয়্যালস একাদশ: জোস বাটলার, মনন ভোরা, সঞ্জু স্যামসন (ক্যাপ্টেন), শিভম দুবে, ডেভিড মিলার, রিয়ান পরাগ, রাহুল তেওটিয়া, ক্রিস মরিস, শ্রেয়স গোপাল, চেতেন সাকারিয়া ও মুস্তাফিজুর৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.