দুবাই: একদল প্লে-অফের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে। অন্যদল প্লে-অফ নিশ্চিত করার দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। অর্থাৎ, রবিবাসরীয় ডাবল হেডারের প্রথম ম্যাচটি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে প্লে-অফের টিকিট নিশ্চিত করার ম্যাচ। কিন্তু প্লে-অফ নিশ্চিত করার ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ১৪৫ রানের বেশি তুলতে পারল না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং’য়ের সিদ্ধান্ত নেন আরসিবি অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তৃতীয় উইকেটে বিরাট কোহলি এবং এবি ডি’ভিলিয়ার্সের ৮২ রানের পার্টনারশিপের উপরেই এদিন মূলত দাঁড়িয়ে ব্যাঙ্গালোরের ইনিংস। ১টি চার এবং ১টি ছয়ে ব্যাঙ্গালোরের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ৪৩ বলে ৫০ রান করেন বিরাট কোহলি। ৩৬ বলে ৩৯ রান আসে এবি ডি’ভিলিয়ার্সের ব্যাট থেকে। এছাড়া ওপেনে নেমে ২১ বলে ২২ রান করেন দেবদূত পারিক্কল।

১৫ রানে আউট হন অ্যারন ফিঞ্চ। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল স্যাম কারেন। ৩ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন ইংরেজ অল-রাউন্ডার। এছাড়া ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ২ উইকেট ঝুলিতে ভরেন দীপক চাহার। একটি উইকেট নেন মিচেল স্যাণ্টনার। এদিন জোস হ্যাজেলউড এবং শার্দুল ঠাকুরের পরিবর্তে মিচেল স্যান্টনার এবং মনু কুমারকে একাদশে নিয়ে আসে সিএসকে।

অন্যদিকে শিবিরে একটি পরিবর্তন আনে আরসিবি শিবির। ইসুরু উদানার পরিবর্তে এদিন কোহলির দলে এসেছেন মইন আলি। এদিন তাঁর অর্ধশতরানের ইনিংসে একটি ছক্কা হাঁকিয়ে একটি আইপিএল মাইলস্টোন স্পর্শ করেন বিরাট কোহলি। তৃতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে এদিন ২০০ ছক্কা মারার নজির গড়েন কোহলি। সামগ্রিকভাবে আইপিএলের পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে এদিন এই মাইলস্টোন স্পর্শ করলেন আরসিবি অধিনায়ক।

৩৩৬টি ছক্কা হাঁকিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ছক্কা হাঁকানোর নিরিখে শীর্ষে ক্রিস গেইল। দ্বিতীয়স্থানে এবি ডি’ভিলিয়র্স (২৩১)। মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং রোহিত শর্মা হাঁকিয়েছেন যথাক্রমে ২১৬ এবং ২০৯টি ছক্কা।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।