মুম্বই: বিরাট ব্যর্থ হলেও এবি ডি’ভিলিয়ার্স ও মইন আলির লড়াইয়ে ম্যাচে ফেরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷ ওয়াংখেড়েয় রোহিত শর্মাদের ১৭২ রানের টার্গেট দেয় আরসিবি৷ এবিডি ও আলির লড়াইয়ে সাত উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান তোলে বিরাটের দল৷

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের শুরুটা ভালো হয়নি৷ ব্যক্তিগত ৮ রানে ডাগ-আউটে ফেরেন বিরাট৷ মাত্র ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায় আরসিবি৷ বেহরেনড্রফের বলে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বিরাট৷ কিন্তু পার্থিব প্যাটেল ও এবিডি’র ব্যাটে লড়াইয়ে ফেরে রয়্যালবিহিনী৷ কিন্তু ২০ বলে ২৮ রানে পার্থিব ডাগ-আউটে ফেরার পর মইন আলির সঙ্গে ৬১ বলে ৯৫ রানের পার্টনারশিপ গড়ে আরসিবি-কে বড় রানে পৌঁছে দেন ডি’ভিলিয়ার্স৷

৩২ বলে পাঁচ ছক্কায় হাফ-সেঞ্চুরি করার পর মালিঙ্গার বলে ডাগ-আউটে ফেরেন আলি৷ ততক্ষণে অবশ্য স্কোর বোর্ডে ১৪৪ রান যোগ করে ফেলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স৷ এর পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন এবিডি৷ ছেনা ছন্দে দেখা যায় মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি’কে৷ ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে মালিঙ্গাকে ছক্কা মারলেও ব্যক্তিগত ৭৫ রানে রান-আউট হয়ে দুর্ভাগ্যবশত ডাগ-আউটে ফেরেন এবিডি৷ ৫১ বলের ইনিংসে চার ছক্কা ও হাফ-ডজন বাউন্ডারি মারেন ডি’ভিলিয়ার্স৷ এবডি আউট হওয়ার পর স্কোর বোর্ডে মাত্র ২ রান যোগ করেন আরসিবি৷

এবিডি আউট হওয়ার পর হিরাকিরি পড়ে যায় রয়্যাল ব্যাটসম্যানদের৷ শেষ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে তিনটি উইকেট তুলে নেন মালিঙ্গা৷ শেষ ২ রান যোগ করতে গিয়ে তিনটি উইকেট হারায় আরসিবি৷ তিন ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকা মালিঙ্গা এদিন ফিরেই দুরন্ত৷ চার ওভারে ৩১ রান দিয়েে চারটি উইকেট তুলে নেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই ল্যাঙ্কি পেসার৷ আগের ম্যাচে চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়া আলজারি জোসেফের পরিবর্তে এদিন দল ঢোকেন মালিঙ্গা৷

টস জিতে ওয়াংখেড়েয় কোহলিদের প্রথমে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত৷দুই দলই দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামে৷ সাত ম্যাচে চারটি জিতে চার নম্বরে রয়েছে রোহিতের মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ আর সাত ম্যাচে একটিতে জিতে পয়েন্ট টেবলে ‘লাস্ট বয়’ বিরাটের রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স৷ চিন্নাস্বামীতে প্রথম সাক্ষাতে নো-বল ড্রামায় বিরাটদের হারিয়েছিল রোহিত অ্যান্ড কোং৷ ম্যাচের শেষ ডেলিভারি নো হওয়ার সত্ত্বে আম্পায়ার চেক না-করে ম্যাচ শেষ করে দেওয়ায় বিরাটের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন আম্পায়াররা৷