মুম্বই: প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ওয়াংখেড়েতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দিল রাজস্থান রয়্যালস। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন-সহ টপ-অর্ডার ব্যর্থ হলেও মিডল-অর্ডার এবং লোয়ার মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যানদের সুবাদে কোহলিব্রিগেডকে ১৭৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা দিল রয়্যালস। ব্যাট হাতে এদিন রয়্যালসের নায়ক শিবম দুবে এবং রাহুল তেওয়াটিয়া।

টানা চতুর্থ জয়ের লক্ষ্যে এদিন মুম্বই’য়ে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং’য়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন আরসিবি অধিনায়ক বিরাট কোহলি। প্রথম তিন ম্যাচে ব্যর্থ রজত পতিদারকে বসিয়ে দলে এদিন কেন রিচার্ডসনকে নেয় রয়্যাল থিঙ্কট্যাঙ্ক৷ অন্যদিকে জয়দেব উনাদকটের পরিবর্তে  রয়্যালস একাদশে প্রত্যাবর্তন ঘটে শ্রেয়স গোপালের।

তবে সিরাজ-জেমিসনের দুর্ধর্ষ বোলিং’য়ের সামনে শুরুটা অত্যন্ত খারাপ হয় রয়্যালসের। প্রথম ম্যাচে শতরানের পর এই নিয়ে টানা তিন ম্যাচ ব্যর্থ অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ১৮ বলে ২১ রান করে ফেরেন তিনি। এছাড়া বাটলার, ভোহরা এবং মিলার কেউই দু’অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। মিলার করেন শূন্য রানে। ৪৩ রানে ৪ উইকেট হারানো রয়্যালস শিবির পঞ্চম উইকেটে সাহারা পায় শিবম দুবে এবং রিয়ান পরাগের জুটিতে।

পঞ্চম উইকেটে ৬৬ রানের পার্টনারশিপে ঘুরে দাঁড়ায় রয়্যালস। ২৬ বলে ২৫ রান করেন রিয়ান পরাগ। ৩২ বলে ৪৬ রান করে অর্ধশতরান হাতছাড়া করেন দুবে। তাঁর ইনিংসে ছিল ৫টি চার এবং ২টি ছয়। দুবে আউট হওয়ার পর ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন গত মরশুমের ‘আবিষ্কার’ তেওয়াটিয়া। প্রথম তিন ম্যাচে জ্বলে না উঠলেও এদিন ২৩ বলে তাঁর ৪০ রানে ক্যামিও রয়্যালসদের চ্যালেঞ্জিং স্কোরে পৌঁছে দেয়।

৪টি চার এবং ২টি ছয়ে সাজানো ছিল তেওয়াটিয়ার ঝোড়ো ইনিংস। ৭ বলে ১০ রান করে আউট হন ক্রিস মরিস। শেষ অবধি ২০ ওভারে ৯ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ১৭৭ রান তোলে রয়্যালস। আরসিবি’র হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন মহম্মদ সিরাজ এবং হর্ষল প্যাটেল। ৪ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে সবচেয়ে কৃপণ সিরাজই। প্যাটেল যদিও ৪৭ রান খরচ করেন। এছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন জেমিসন, রিচার্ডসন এবং ওয়াশিংটন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.