দুবাই: দুরন্ত এবিডি৷ আইপিএল জমজমাট৷ অসম্ভবকে সম্ভব করার নাম এবি ডি’ভিলিয়ার্স৷ ১৯ তম ওভারে জয়দেব উনাদকটকে ২৫ রান নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৭ উইকেটে জয় এনে দিলেন এবি৷ এই জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরেই রইল বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷

শারজায় কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে এবিডি’র বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের পর ফের তাঁর এই প্রোটিয়ার ব্যাটিং তাণ্ডবের সাক্ষী থাকল মরু শহর৷ ২২ বলে হাফ-ডজন ছক্কা হাঁকিয়ে ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংসে রাজস্থান রয়্যালসের জয় কেড়ে নিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের এই ‘সুপারহিউম্যান’৷

শেষ দু’ ওভারে জয়ের জন্য ৩৫ রান দরকার ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের৷ ১৯তম ওভারে উনাদকটকে তিন ছক্কা-সহ ২৫ রান নিয়ে আরসিবি-কে ম্যা্চে ফেরান এবিডি৷ শেষ ওভারে জোফরা আর্চারের প্রথম চারটি বলেই ম্যাচ জিতে নেয় আরসিবি৷ ম্যাচের সেরা এবি ডি’ভিলিয়ার্স৷

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স৷ দেবদূত পারিক্কল ও অ্যারন ফিঞ্চ আক্রমণাত্মক শুরু করলেও ব্যক্তিগত ১৪ রানে শ্রেয়স গোপাল ফেরান অ্যারন ফিঞ্চকে৷ এরপর পারিক্কল ও কোহলি ৭৯ রান যোগ করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ম্যা্চে ফেরান৷ ৩৭ বলে ৩৫ রান করে রাহুল তেওটিয়ার বলে আউট হন পারিক্কল৷

এরপর ক্রিজে বিরাট ও এবডি জুটির দাপট শুরু হওয়ার আগেই তেওটিয়ার এক দুরন্ত ক্যাচে ডাগ-আউটে ফেরেন রয়্যাল অধিনায়ক৷ ৩২ বলে ৪৩ রান করেন কোহলি৷ ছ্ক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারির ধারে তেওটিয়ার হাতে ধরা পড়েন বিরাট৷ এরপর শুরু হয় এবিডি-র ব্যাটিং তাণ্ডব৷ ২২ বলে ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জেতান এবি৷ স্ট্রাইক-রেট ২৫০৷ এছড়া ১৭ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন গুরকীরত সিং৷ ৪ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে একাই রাজস্থান রয়্যালকে হারান উনাদকট৷ আর্চারও এদিন মার খান৷ ৩.৪ ওভারে ৩৮ রান দেন তিনি৷

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।