চেন্নাই: শুক্রবারই ২০২১ আইপিএলে অভিযান শুরু করছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷ কিন্তু তার আগে বিরাট কোহলির দলের আরও ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে এল৷ দেবদূতের পারিক্কলের নেগটিভ রিপোর্ট কোহলির দুশ্চিন্তা কমালেও অজি অল-রাউন্ডার ড্যানিয়েল স্যামসের রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার অস্বস্তিতে আরসিবি৷

বুধবারই বাঁ-হাতি ওপেনার দেবদূত পারিক্কলের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ আসার কথা জানিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷ আরসিবি-র তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এদিন চেন্নাইয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন পারিক্কল৷ একই সঙ্গে এদিন অজি অল-রাউন্ডার ড্যানিয়েল স্যামসের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলেও জানানো হয়৷

অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারতে আসার পর এটি দ্বিতীয় কোভিড টেস্ট স্যামসের৷ ৩ এপ্রিল চেন্নাইয়ে টিম হোটেলে যোগ দেওয়ার সময় তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল৷ কিন্তু বুধবার দ্বিতীয় টেস্টের রিপোর্টে পজিটিভ এসেছে বলে আরসিবি-র তরফে জানানো হয়৷ সরকারিভাবে আরসিবি-র তরফে এদিন যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ‘ড্যানিয়েল স্যামস চেন্নাইয়ে চেক-ইন করেছিল ৩ এপ্রিল৷ সেদিন ওর কোভিড টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল৷ কিন্তু ৭ এপ্রিল ওর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ তবে স্যামসের কোনও উপসর্গ দেখা যায়নি৷ যদিও ও এখন আইসোলেশনে মেডিকেল টিমের তত্বাবধানে রয়েছে৷’

তবে বিরাটের দলের জন্য ভালো খবর এদিন করোনা মুক্ত হয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বাঁ-হাতি ওপেনার পারিক্কল৷ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের তরফে বুধবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান দেবদূত পারিক্কল বোর্ডের প্রোটোকল অনুসারে কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় ৭ এপ্রিল দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছে৷ তবে আরসিবি মেডিকেল টিম সবসময় দেবদূতের স্বাস্থ্যের খবর রেখে চলেছে৷’

গত ২২ মার্চ বেঙ্গালুরুর বাড়িতেই পারিক্কলের কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল৷ ফলে এতদিন দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি তিনি৷ বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন৷ কিন্তু এদিনই তাঁর কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ আসার কথা সরকারিভাবে দলের তরফে জানানো হয়৷ মরু শহরে ২০২০ আইপিএলে আবির্ভাবেই চমকে দিয়েছিলেন ২০ বছরের এই কর্নাটকি ব্যাটসম্যান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।