কলকাতা: বসন্ত উৎসব ঘিরে বিতর্কের শিরোনামে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। দোল ঘিরে উৎসবে বিটি রোড ক্যাম্পাস থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে কিছু বিতর্কিত ছবি। বৃহস্পতিবার উৎসব শেষ হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক বার ভাইরাল হয় বিতর্কিত ছবি। দেখা যায় মেয়েদের খোলা পিঠে অশ্লীল ছবি। এই ছবি দেখে রীতিমতো সুর চড়িয়েছেন নেটিজেনরাও। তীব্র ধিক্কার ছড়াচ্ছে চারিদিকে।

এরই মধ্যে শুক্রবার সিঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৷ প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ওই ছবি ফটোশপ কিনা তা যাচাই করা হবে। পরে অবশ্য রবীন্দ্রভারতী কর্তৃপক্ষ জানায়, ওইছবিগুলি সত্যি। ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে অভিযুক্তদের ঠিকানা। খুব সম্ভবত তাঁরা চন্দননগরের বাসিন্দা। তাঁরা ওই ইউনিভার্সিটির পড়ুয়া কিনা সেসম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।

আরও পড়ুন- প্রেসিডেন্সির পড়ুয়াদের টানা বিক্ষোভে অবরুদ্ধ কলেজ স্ট্রিট, দুর্ভোগ অফিস যাত্রীদের

এবছরই প্রথম রবীন্দ্রভারতীতে বসন্ত উৎসবের প্রবেশের ক্ষেত্রে পাস দেওয়ার সিস্টেম চালু করা হয়েছিল। ছিল প্রচুর পরিমাণে পুলিশও। লাগানো হয়েছিল সিসিটিভিও। কিন্তু এত সবের পরেও বিতর্ক এড়াতে পারল না রবীন্দ্রভারতী।

বিখ্যাত ফটোগ্রাফার জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বলেছেন, ‘এর তীব্র প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ এবং যারা এমন করেছে তাদের শাস্তির প্রয়োজন রয়েছে’। শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকারকে এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , ‘এসব শোনার পর তা নিয়ে কিছু বলে কবিকে আর অপবিত্র করব না।’

অনেকে বলছেন রবি ঠাকুর এসব দেখলে হয়তো চন্দ্রবিন্দুর সুরে বলতেন , ‘সুইট হার্ট,আমার মাথাটা ঘোরে বন বন’। প্রশ্ন উঠতে পারে কবির কি ভাষার অভাব পড়ত যে তিনি অন্যের ধার নিতেন। উত্তর হতে পারে, এসব দেখলে কবি বাক্যহারা হতেন। ধার ছাড়া উপায় থাকতো না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।