মুম্বই: রিজার্ভ ব্যাংক সোমবার জানিয়ে দিল পূর্বনির্ধারিত মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক হচ্ছে না। বৈঠকের দিন স্থির করে পরে জানানো হবে। ঠিক ছিল তিনদিনের এই বৈঠক রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাসের নেতৃত্বে শুরু হবে ২৯ সেপ্টেম্বর।

দেশের শীর্ষ ব্যাংক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল ২৯,৩০ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবরে। এই বৈঠকের সময়সূচী পুনঃনির্ধারিত করা হবে। ওই বৈঠকের দিন শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।

২০১৬ সাল থেকে সুদের হার নির্ধারণের ব্যাপারে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নরের ভূমিকার বদলে ছয় সদস্যের মনিটারি পলিসি কমিটির উপর দেওয়া হয়। এই ছয় সদস্যের মধ্যে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর সহ ভিতরে র তিনজন থাকেন এবং বাকি তিনজন বাইরে থেকে আসা প্রতিনিধি ‌।

সরকার তখন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক চেতন ঘাটে, দিল্লি স্কুল অফ ইকনোমিকসের ডিরেক্টর পামি দুয়া এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট আহমেদাবাদের অধ্যাপক রবীন্দ্র ঢোলাকিয়াকে বাইরে প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে নেওয়া হয়েছিল।

বাইরের প্রতিনিধিদের চার বছরের মেয়াদে নেওয়া হয়। বাইরে প্রতিনিধি তিনজনের মেয়াদ গত মাসের শেষ হয়েছে। অথচ তাদের বদলে সরকার অন্য লোক এখনও দেয়নি। নিয়ম অনুসারে বৈঠকের জন্য চারজনের প্রয়োজন।

রিজার্ভ ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে দু মাস অন্তর এই বৈঠক হওয়ার কথা। তবে প্রতিবছর এই মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক করতে হবে অন্তত চারটি ‌। এবারের বৈঠক ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর নির্ধারিত ছিল। তার পরবর্তী বৈঠক ধরা ছিল ২-৪ ডিসেম্বর। এর আগে অগাস্ট মাসে মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।