মুম্বই: রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাসের নেতৃত্বে তিনদিনের মনিটারি পলিসি কমিটির(এমপিসি) বৈঠক শুরু হচ্ছে আগামিকাল ৪ অগস্ট। ৬ অগস্ট বৈঠকের শেষ দিনে এমপিসি তাদের নীতি নির্ধারণের সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শিল্পমহল এককালীন ঋণ পুনর্গঠনের দাবি তুলেছে।

অন্যদিকে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ইতিমধ্যেই ফের সুদের হার কমানোর বিরোধিতা করেছে। স্টেট ব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক রিপোর্ট জানিয়েছে, অগস্ট মাসের নীতিতে রেপো রেট কমানো কাম্য নয় যেহেতু গত ফেব্রুয়ারি থেকে ১১৫ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট কমানো হয়েছে।

এরমধ্যে ৭১-৮৫ বেসিস পয়েন্ট বৃহৎ ব্যাংকের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেয়া গিয়েছে। এটাই মোটের উপর ভারতে সবচেয়ে দ্রুত নীতির হার বলে মনে করা হয়। এর পাশাপাশি মুদ্রাস্ফীতির হার দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে দুশ্চিন্তায় রাখবে। ইতিমধ্যেই খাদ্য সামগ্রী বিশেষত মাছ, মাংস, ডাল ও খাদ্যশস্যের দাম বৃদ্ধির চাপে জুন মাসের উপভোক্তা মূল্যসূচক ৬.০৯ শতাংশ হয়।

মুদ্রাস্ফীতির এই স্তর আদৌ রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে স্বস্তিদায়ক নয়, যেখানে এটা মধ্যমেয়াদে ৪ শতাংশের মধ্যে রাখা দরকার। প্রসঙ্গত রিজার্ভ ব্যাংকের প্রাক্তন ডেপুটি গভর্নর বিরল আচার্য সম্প্রতি জানিয়েছেন আগস্ট মাসে নীতি নির্ধারণের বৈঠকের সময় অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রকের নজর দেওয়া উচিত মুদ্রাস্ফীতির দিকে।

তার মতে এই কমিটির মাথায় রাখা উচিত তাদেরও কিছু বাধ্যবাধকতা আছে। সেজন্য উপভোক্তা মূল্যসূচককে ৪% রেখে দেওয়ার একটা লক্ষ্যমাত্রা রেখে দেওয়া উচিত।

এক বিশেষজ্ঞের অভিমত, গত এক বছরে রেপো রেট ১৩৫ শতাংশ কমেছে। বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিলে আপাতত এই ক্ষেত্রে নরম মনোভাব নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন তিনি। যেহেতু পর্যাপ্ত নগদ রয়েছে এবং রেপো রেট কমানোর প্রভাব গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে সেহেতু আপাতত এই ব্যাপারে ধীরে চলো নীতি নেওয়া উচিত। যদিও কিছু বিশেষজ্ঞ আশা করছেন, এই বৈঠকেও রেপো রেট কমতে পারে এবং তা ২৫ বেসিস পয়েন্ট হতে পারে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা