মুম্বই: আপাতত রেপো রেট কমানোর ক্ষেত্রে কিছুটা ব্রেক কষলো রিজার্ভ ব্যাংক। ৪ শতাংশের অপরিবর্তিত রাখা হলো রেপো রেট, এটাই ২০০০ সাল থেকে সর্বনিম্ন।‌পাশাপাশি‌ রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে ৩.৩৫ শতাংশে। অন্যদিকে এই করোনা অতি মহামারীর সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঋণদাতাদের ঋণ পুনর্গঠন করার একটা সুবিধা দেওয়ার। এছাড়া কে ভি কামাথের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হবে যাতে যোগ্য ঋণগ্রহীতা বুঝে নেওয়া যায়।

রেপো রেট হল রিজার্ভ ব্যাংকে যে হারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে ঋণ দেয় এবং রিভার্স রেপো রেট হলো যে হারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ঋণ নেয়‌ রিজাভ ব্যাংক।এর আগে ২২মে রিজার্ভ ব্যাংক এই রেটের পরিবর্তন করেছিল । চাহিদা বাড়াতে এই পথে সুদের হার কমান হয়েছিল।

দু মাস অন্তর রিজার্ভ ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটি বৈঠকে বসে। এবার এই বৈঠক হয় ৪-৬ আগস্ট। এই বৈঠকের পর আজ সকালে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি জানান, কমিটির সকলে একমত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ২৫০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট কমানো হয়েছে এবং তার মধ্যে লকডাউন চলাকালীন কমেছে ১১৫ বেসিস পয়েন্ট।

তাছাড়া বছরের বাকি সময় সম্পর্কে এই কমিটির যে মনোভাব পোষণ করেছে তাতে ২০২০-২১ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে মুদ্রাস্ফীতির হার বাড়তে পারে। তারপর অর্থাৎ অর্থবর্ষের দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা সহজ হবে বলে মনে করা হয়েছে।

পরিস্থিতি বিচার করে রিজার্ভ ব্যাংকের পক্ষ থেকে কিছু ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। অতিরিক্ত বিশেষ নগদের ব্যবস্থা করতে ৫০০০ কোটি টাকা করে দেওয়া হচ্ছে নাবার্ড এবং ন্যাশনাল হাউসিং ব্যাংকে। রিজার্ভ ব্যাংক অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রে ঋণ দেওয়ার গাইডলাইন পরিবর্তন করছে যাতে আঞ্চলিক বৈষম্য দূর হয়। যেখানে ঋণ কম পৌঁছয় সেই সব জেলাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাছাড়া এই অতি মহামারী সময় সোনা বন্ধক রেখে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে আগে যেটা ৭৫ শতাংশ দেওয়া হতো সেটা বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা হচ্ছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।