নয়াদিল্লি: রিজার্ভ ব্যাংকের মনিটারি কমিটির আপাতক রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল ৷ বৃহস্পতিবার রিজার্ভ ব্যাংকের গর্ভনর শক্তিকান্ত দাসের নেতৃত্বাধীন এই মনিটারি কমিটি এই অর্থবর্ষে দু’মাস অন্তর করা ষষ্ঠ বৈঠকের পর ঘোষণা করল রেপো রেট ৫.১৫ শতাংশেই বহাল রাখা হচ্ছে ৷ এই পরিস্থিতিতে এমনটাই আশা করছিল বিভিন্ন মহল৷ কমিটির ছয় সদস্য সর্বসম্মত ভাবে সুদ হারের পরিবর্তন না করার সিদ্ধান্ত নেন৷

এদিন ছয় সদস্যের কমিটি যে বিষয়গুলিতে ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেগুলি মধ্যে রয়েছে – চেক ক্লিয়ারিং আর দ্রুত করতে গোটা দেশে চেক ট্রাংকেশন সিস্টেম (সিটিএস) সম্প্রসারণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ তাছাড়া কমিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে অর্থনীতি দুর্বলই থাকছে এবং উৎপাদনজনিত ঘাটতি থেকে যাবে৷
আরবিআই জানিয়েছে, সার্বিক মুদ্রাস্ফীতি রাতিমতো অনিশ্চিত থাকছে ৷ ফলে কমিটি নজরদারি চালাবে মুদ্রাস্ফীতিজনিত চাপ দেখার জন্য এবং এই জন্য যে সব কারণগুলি সম্পর্কে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল সেগুলির দিকে লক্ষ্য রাখা হবে৷ কমিটি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মুদ্রাস্ফীতির কারণ হিসেবে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির বিষয়কেই দায়ি করেছে ৷

রিজার্ভ ব্যাংক গ্রাহক মূল্যসূচক (সিপিআই) পুনর্মূলায়ন করে জানিয়েছে চলতি আর্থিক বছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৬.৫ শতাংশে থাকবে , ২০২১ অর্থবর্ষে প্রথমঅর্ধে ৫.৪-৫ শতাংশ এবং ২০-২১ অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ৩.২ শতাংশ হবে যা ঝুঁকি৷ জিডিপি বৃদ্ধি ২০২০-২১ সালে ধরা হয়েছে ৬ শতাংশ, বছরের প্রথম অর্ধে ৫.৫-৬ শতাংশ এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ৬.২ শতাংশ হবে ৷

জুনের আগে রিজার্ভ ব্যাংক আর সুদের হার কমাতে না বলেই আশা করা হচ্ছে ৷ প্রসঙ্গত, ব্লুমবার্গের ৩৭জন অর্থনীতি উপর করা সমীক্ষা জানিয়েছিল পুনর্রক্রয়ের হার রাখা থাকবে ৫.১৫ শতাংশে যা ২০১০ সালের পর সর্বনিম্ন৷
রিজার্ভ ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটির রিপোর্ট বের হল বাজেট এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষার পর৷ এই কমিটির তিনদিনের বৈঠক শুরু হয়েছিল গত মঙ্গলবার৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।