লিসবন: গতরাতে ৮৯ মিনিট অবধি পিছিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে অভিজ্ঞতা দিয়ে বাজিমাত করে গিয়েছে প্যারিস সা জাঁ। দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে তারুণ্যে ভরপুর আরবি লেইপজিগের কাছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ একসময় পিছিয়ে পড়লেও তেমনই কিছু একটা প্রত্যাশা করছিলেন অনুরাগীরা। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে সমতাও ফিরিয়ে এনেছিল অ্যাটলেটিকো। কিন্তু শেষ রাতে বাজিটা মেরে গেল লেইপজিগ।

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চারে বুন্দেসলিগা ক্লাবটি। প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে শেষ মুহূর্তে গোল করে যদি নায়ক হন চৌপো মটিং। তাহলে দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে ৮৮ মিনিটে গোল করে লেইপজিগের নায়ক যুক্তরাষ্ট্রের টাইলার অ্যাডামস। ম্যাচ জয়ের পর যিনি জানালেন, ‘আমরা এই মুহূর্তটায় আটকে থাকতে চাই না। সেমিফাইনালে পিএসজি’র মতো বিশ্বমানের একটা দলের বিরুদ্ধেও নিজেদের গেমপ্ল্যান সঠিকভাবে কার্যকর করতে চাই। আমরা নিজেদের নিয়ে দারুণভাবে আশাবাদী।’

আপফ্রন্টের অন্যতম ভরসা টিমো ওয়ার্নারকে ছাড়াই এদিন দল সাজাতে হয় লেইপজিগের তরুণ কোচ নাগলসম্যানকে। প্রথমার্ধে বিক্ষিপ্ত কিছু সুযোগ পেলেও তা থেকে গোল তুলে নিতে পারেনি কোনও দলই। অর্থাৎ, প্রথম ৪৫ মিনিট নিষ্ফলাই থাকে। ৫১ মিনিটে ম্যাচে লিড নেয় লেইপজিগ। মার্সেল সাবিতজারের ক্রস সুযোগসন্ধানী হেডে জালে জড়িয়ে দেন ড্যানি ওলমো। যদিও ওলমোর সেই গোলকে নির্ণায়ক হওয়ার সুযোগ দেননি জোয়াও ফেলিক্স। মিনিট কুড়ি বাদে সুপার সাব এই পর্তুগিজ ফুটবলারের দৌলতে পেনাল্টি পায় অ্যাটলেটিকো। ৭১ মিনিটে স্পটকিক থেকে জোরালো শটে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনেন ফেলিক্স।

এরপর ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তখনই নাটক। ৮৮ মিনিটে প্রতি-আক্রমণ থেকে লেইপজিগ মিডফিল্ডার টাইলার অ্যাডামসের গোল লক্ষ্য করে একটি শট বিপক্ষ এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে খুঁজে নেয় গোলের ঠিকানা। এক্ষেত্রে কিছু করার ছিল না অ্যাটলেটিকো দুর্গের শেষ প্রহরী জন ওবলাকের। নির্ধারিত সময়ের মাত্র দু’মিনিট আগে অ্যাডামসের জয়সূচক গোলেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয় জার্মানির মাত্র এগারো বছরের ক্লাবটির।

আগামী ১৯ অগস্ট প্রথম সেমিফাইনালে নেইমারদের মুখোমুখি এনার্জি ড্রিঙ্ক রেডবুল কোম্পানির মালিকানাধীন এই ক্লাব।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও