চেন্নাই: ‘অজি বধ’-র পর টিম ইন্ডিয়ার লক্ষ্য এবার ইংরেজ ‘শাসন’! জো রুটদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চ্যালেঞ্জ নিলেন চেতেশ্বর পূজারা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন৷ ওপেন চ্যালেঞ্জে পূজারাকে স্পিনারের বিরুদ্ধে স্টেপ-আউট করে মারার আহ্বান জানালেন টিম ইন্ডিয়ার অভিজ্ঞ অফ-স্পিনার অশ্বিন৷

৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার টেস্টের সিরিজ খেলতে নামছে ভারত৷ সিরিজের প্রথম দু’টি টেস্ট হবে চেন্নাইয়ের চিপকে৷ ভারতীয় স্পিনারের এই চ্যালেঞ্জে যদি সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে পারেন পূজারা, তা হলে রুটদের বিরুদ্ধে অর্ধেক গোঁফ কেটে মাঠে নামবেন অশ্বিন। টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরের সঙ্গে আড্ডার সতীর্থকে চ্যালেঞ্জ জানালেন তিনি।

রাঠোরের ইউটিউব চ্যানেলে এক আড্ডায় ছিলেন অশ্বিন৷ টেস্টে ৩৭৭ উইকেটের মালিক ভারতীয় অফ-স্পিনার, ব্যাটিং কোচ বলেন, ‘আমরা কি কখনও পূজারাকে অফ-স্পিনারদের বিরুদ্ধে মাথার উপর দিয়ে স্টেপ-আউট করতে দেখব?’ উত্তরে বিক্রম বলেন, ‘চেষ্টা চলছে। ওকে আমি বোঝানোর চেষ্টা করেছি একবার অন্তত বোলারের মাথার ওপর দিয়ে মারার জন্য। তবে ও এখনও রাজি হয়নি, আমাকে বিভিন্ন কারণ দেখাচ্ছে।’

হাসতে হাসতে অশ্বিন বলেন, ‘ও যদি স্টেপ-আউট করে মইন আলি বা অন্য কোনও ইংরেজ স্পিনারের মাথার ওপর দিয়ে মারে, তাহলে আমি অর্ধেক গোঁফ কেটে খেলতে নামব। ওপেন চ্যালেঞ্জ রইল।’ উত্তরে রাঠোর বলেন, ‘দারুণ চ্যালেঞ্জ৷ আশা করি ও এই চ্যালেঞ্জটা নেবে৷ মনে হয় না, এটা ও ছাড়বে৷’

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বর্ডার-গাভাস্কর ট্রফিতে দারুণ ব্যাটিং করেন পূজারা৷ সিডনি ও ব্রিসবেন টেস্টে প্রাচীর হয়ে ভারতীয় ইনিংস সামলেছেন সৌরাষ্ট্রের ডানহাতি৷ অজি পেসারদের বল শরীরে আঘাত খেয়েও ধৈর্য হারাননি পূজারা৷ অবিচল থেকেছেন নিজের ব্যাটিং নিয়ে৷ গাব্বায় ৩২৮ রান তাড়া করারার ক্ষেত্রেও বড় যোদ্ধা ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার নম্বর তিন ব্যাটসম্যান৷

অস্ট্রেলিয়া সফরে একাধিকবার স্লো ব্যাটিংয়ের জন্য সমালোচিত হয়েছেন পূজারা৷ কিন্তু গাব্বায় ভারতের ইতিহাস তৈরির বীজ বপন করেছিলেন তিনিই৷ আর সেই বীজে ফসল ফলান শুভমন গিল ও ঋষভ পন্ত৷ এই তরুণের ব্যাটে ভর করে গাব্বায় শক্তিশালী অজি বোলিংয়ের বিরুদ্ধে রেকর্ড রান তাড়া করে ম্যাচে জেতে ভারত৷ সেই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চার টেস্টের সিরিজে ২-১ পকেটে পুরে নেয় টিম ইন্ডিয়া৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।