ইন্দোর: ঘরের মাঠে টেস্টে দ্রুততম ২৫০ উইকেটের মালিক হলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন৷ সেই সঙ্গে কিংবদন্তি অফ-স্পিনার মুথাইয়া মুরলীধরনের রেকর্ড ছুঁলেন ভারতীয় অফ-স্পিনার৷ এর আগে সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মুরলীধরনের দ্রুততম ৩৫০ উইকেটের মাইলস্টোন ছুঁয়েছিলেন অশ্বিন৷

বৃহস্পতিবার হোলকর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্যাপ্টেন মোমিনুল হক’কে আউট করে নতুন কীর্তি গড়েন অশ্বিন। হোলকরের বাইশগজে ভারতীয় পেসাররা দাপট দেখালেও দু’টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেটে তুলে নেন অশ্বিন৷ ১৬ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪৩ রান খরতে দু’টি উইকেট নেন ৩৩ বছরের তামিল অফ-স্পিনার৷ মোমিনুল ছাড়াও অশ্বিনের শিকার মাহমুদুল্লাহ৷ দু’জনকেই বোল্ড করেন তিনি৷

ঘরের মাঠে ৪৩টি টেস্টে ২৫০টি উইকেটের মাইলস্টোন ছুঁয়েছিলেন অনিল কুম্বলে৷ এই মাইলস্টোনে পৌঁছতে ভাজ্জি নিয়েছিলেন ৫১টি টেস্ট। অশ্বিন এদিন কুম্বলেকে টপকে ২৫০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছন৷ শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন অফ-স্পিনার মুথাইয়া মুরলীধরনও ৪২টি ম্যাচে ২৫০টি উইকেট নিয়েছিলেন। এতদিন পর্যন্ত ঘরের মাঠে দ্রুততম ২৫০টি উইকেটের মালিক ছিলেন মুরলীধরন৷ এদিন তাতে ভাগ বসান অশ্বিন৷ টেস্টে ভারতীয় অফ-স্পিনারে শিকার ৩৫৯।

প্রায় বছর দেড়েক পরে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঘটে অশ্বিনের। ক্যারিবিয়ান সফরে দলে থাকলেও একটি টেস্টেও মাঠে নামার সুযোগ হয়নি। তবে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন টেস্ট সিরিজে ১৫টি উইকেট নেন অশ্বিন। এদিন বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও ছন্দে দেখা গেল অশ্বিনকে৷ মোমিনুল ও মাহমুদুল্লাহকে বোল্ড করে ভারতকে ম্যাচ ফেরাতে বড় ভূমিকা নেন অভিজ্ঞ তামিল অফ-স্পিনার৷

অশ্বিন ও ভারতীয় পেসারদে দাপটে প্রথম ইনিংসে ১৫০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ৷ মাত্র ৩১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ক্যাপ্টেন মোমিনুল ও রহিমের ব্যাটে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ৷ চতুর্থ উইকেটে দু’জনে ৬৮ রান যোগ করেন৷ কিন্ত ব্যক্তিগত ৩৭ রানে বাংলাদেশ অধিনায়ককে অশ্বিন প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে টাইগারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন৷ এরপর থেকে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ৷ ১৩ ওভারে ৫টি মেডেন-সহ মাত্র ২৭ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন মহম্মদ শামি৷