মুম্বই: প্রথম ম্যাচ দাগ কাটতে না-পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ালেন দীপক চাহার৷ শুক্রবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে চাহারের দুরন্ত বোলিংয়ে পঞ্জাব কিংস-কে মাত্র ১০৬ রানে বেঁধে রাখল চেন্নাই সুপার কিংস৷ ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে পঞ্জাব ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন বছর আঠাশের এই ডানহাতি পেসার৷

সুপার কিংস বোলিংকে এদিন সামনে থেকে নেতৃত্ব চাহার৷ ইনিংসের চতুর্থ ডেলিভারিতে দুরন্ত লেগ-কাটারে ময়াঙ্ক আগরওয়ালের অফ-স্টাম্প নড়িয়ে দেন তিনি৷ খাতা খোলার আগেই ডাগ-আউটে ফেরেন ময়াঙ্ক৷ তৃতীয় ওভারে রবীন্দ্র জাদেজার দুরন্ত থ্রো-তে রান-আউট হয়ে ডাগ-আউটে ফেরেন পঞ্জাব ক্যাপ্টেন রাহুল৷ প্রথম ম্যাচে ৯১ রানের ইনিংস খেলা রাহুল এদিন মাত্র ৫ রান করেন৷

পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে ক্রিস গেইলকে তুলে নিয়ে পঞ্জাবকে মোক্ষম ধাক্কা দেন চাহার৷ মাত্র ১০ রান করে ডাগ-আউটে ফেরেন ‘দ্য ইউনিভার্স বস’৷ একই ওভারের চতুর্থ ডেলিভারিতে নিকোলাস পুরানকে তুলে নিয়ে পঞ্জাব কিংস-কে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন চাহার৷ মাত্র ১৯ রানে চার উইকেট হারায় প্রীতির দল৷ সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে দীপক হুডাকে ডাগ-আউটে ফিরিয়ে পঞ্জাব ইনিংসের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন চাহার৷ এদিন তাঁকে টানা চার ওভার বোলিং করান সিএসকে ক্যাপ্টেন ধোনি৷ এটাই আইপিএল সেরা বোলিং চাহারের৷

এই পারফরম্যান্সের পর টুইটারে চাহারের প্রশংসা করেন টিম ইন্ডিয়ার প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী৷ টুইটারে শাস্ত্রী লেখেন, “Proven fact. Genuine swing both ways with control can undo the best. Super variations. Brilliant.” ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান সঞ্জয় মঞ্জেরেকর টুইটার লেখেন,”Sensational bowling by Deepak Chahar. Swing, knuckle ball, bouncer the full range to get 3 wickets.” জাতীয় দলের হয়ে তাঁর সেরা টি-২০ পারফরম্যান্স ৭ রানে ৬ উইকেট৷ ২০১৯ সালে নাগপুরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এই বোলিং করেছিলেন চাহার৷

দেশের হয়ে ১৩টি টি-২০ ম্যাচ খেলা চাহার আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে কয়েক বছর ধরে খেলছেন৷ গত বছর আইপিএলের শুরুর ঠিক আগে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেরাটা দিতে পারেননি বলে জানান৷ সিএসকে পেসার এদিন বলেন, ‘পিচে সুইংয়ের থেকে সিম ভালো হয়েছে৷ আমরা ঠিক জায়গায় বল রেখে গিয়েছি৷ গত বছরটা আমাদের জন্য ভালো ছিল না৷ আমি কোভিড আক্রান্ত হয়েছিলাম৷ ২৮ দিন কোয়ারেন্টাইন থাকার পর মাত্র চারদিন খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম৷ কিন্তু এ বছর দারুণ ট্রেনিং করেছি৷ শেষ ম্যাচটা ছিল আমাদের কাছে wake-up call.

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.