নয়া দিল্লিঃ এই করোনা যুদ্ধে বলিউড অভিনেত্রী রবিনা টন্ডন পর্দার আড়ালে থেকে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন। অসহায় হয়ে যারা অভিনেত্রীর কাছে সাহায্য চেয়েছেন প্রত্যেককে সহায়তা করেছেন। অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়েছেন। সাধারণ মানুষের সাহায্যের আর্জিতে ফোন কল, মেসেজে থেকে শুরু করে তার সোশ্যাল মিডিয়ার টাইম লাইন ভরে গিয়েছে। করোনা মহামারিতে সাধারণ মানুষকে সহায়তা করার জন্যে নিজের কাছের বন্ধুদের নিয়ে রবিনা একটি দল গঠন করেছেন।

অক্সিজেনের আকাল দেখা দিয়েছে হাসপাতাল গুলিতে। বিগিত কিছুদিনে অসংখ্য করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে অক্সিজেনের অভাবের কারণে। তাই ৩০০ সিলিন্ডার অক্সিজেনের ব্যবস্থা করেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, ‘দেশের এই অক্সিজেন ক্রাইসিসের সময় হাসপাতাল গুলি অক্সিজেন দেওয়ার জন্যে একটা বৃহৎ অঙ্কের টাকা দাবি করছে। যা দেওয়া অধিকাংশ মানুষের পক্ষেই সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমাদের প্রথম সারির ৩০০ সিলিন্ডার অক্সিজেন পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে। পুলিশ এবং বিভন্ন স্বেচ্ছা সেবী সংস্থার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি যাতে ওই অক্সিজেন প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ পেয়ে থাকে’।

রবিনার কথায়, ‘এই মুহূর্তে যা হচ্ছে তা একেবারেই অবিশ্বাস্য। যাদের টাকা আছে তারা অক্সিজেন, ওষুধ সমস্থ কিছুই কিনতে পারছেন। কিন্তু যাদের টাকা নেই তারা কেন বঞ্চিত হবে। তাই আমি এবং আমার টিম সবসময় চেষ্টা করছি অক্সিজেন কিট, অক্সিজেন সিলিন্ডার যথাসম্ভব জোগান দিয়ে যাওয়ার। মানুষের সহায়তা করার। আমি সকলের কাছে অনুরোধ করছি এই কঠিন সময় তারা যেন এগিয়ে আসেন। অপরকে সহায়তা করতে উৎসাহ দেখান’।

এই কঠিন সময় দিল্লির পেন্টামেড হাসপাতালের ডাক্তাররা অভিনেত্রীর কাছে অক্সিজেনের আবেদন জানিয়েছিলেন। তাই প্রথম সারির ৩০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার দিল্লিতে পাঠাচ্ছে তারা। রাবিনা জানাচ্ছেন, ‘দিল্লি থেকে একটি মেয়ে আমায় মেসেজ করে জানিয়েছিল তার কাছে একটি অতিরিক্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে। আমার টিমের একজনকে আমি মেয়েটির কাছে পাঠাই। মেয়েটি সেই অক্সিজেন সিলিন্ডারটি তাকে দিয়ে পাঠিয়ে দেয়। আমায় ভীষণ খুশি করেছিল মেয়েটির এই কাজ। মানুষ একে অপরকে সহায়তা করার জন্যে এগিয়ে আসছে। এভাবেই যদি মানুষ এগিয়ে আসে তাহলে একদিন এই খারাপ সময় আমরা কাটিয়ে উঠতে পারব’।

এই সংকটের সময়ে দাঁড়িয়েও কিছু মানুষ কালোবাজারি করছে। ওষুধ এবং অক্সিজেন চড়া দামে বিক্রি করছে। তাদের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে অভিনেত্রী বলেছেন, ‘এই সংকট ঠিক পার করে যাবো আমরা। তারপর আমি আশা রাখছি ওইসব কালোবাজারি করা মানুষ গুলোর তদন্ত হবে এবং তারা কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি পাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.