স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন নষ্ট মেয়েকে ভারতবর্ষের কোনও দলই স্টেজে তুলে ফুল-মালা দেবে না৷ উনি জোর করে ফুল-মালা নিচ্ছেন৷ মালা পরার জন্য দিল্লিতে পর্যন্ত ফোন করেছেন৷ মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষোভ প্রকাশের এমনই প্রতিক্রিয়া দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়৷

 

গত সপ্তাহে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় দুজনেই বিজেপিতে যোগ দেন৷ মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির তরফে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে সংবর্ধনা দেওয়া হবে, এই মর্মে দুটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরমধ্যে একটি সোমবার রাতে এবং অন্যটি মঙ্গলবার বেলা ১২টায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু, এই দুটি বিজ্ঞপ্তির কোথাও মিল্লি অল আমিন কলেজের অধ্যক্ষা তথা শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামোল্লেখ ছিল না। যা দেখে ক্ষুব্ধ বৈশাখী রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদারকে ফোন করেন৷ দিল্লিতেও ফোন করে নালিশ জানান। সূত্রের খবর, এরাজ্যের বিজেপির পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেননকে ফোন ক্ষোভ জানান খোদ শোভন চট্টোপাধ্যায়৷ এরপরই ভুল স্বীকার করে রাজ্য বিজেপি। আমন্ত্রণপত্রে ঢোকানো হয় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম।

কিন্তু তাতেও রাগ কমেনি বৈশাখীর। তিনি পরে বলেন, নোটিসে যে ভাবে ভুল সংশোধন হয়েছে, তা-ও অসম্মানজনক। পরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এলেও প্রথম থেকেই‘ক্ষুব্ধ’ অভিব্যক্তি নিয়ে মঞ্চে বসে ছিলেন বৈশাখী।

এই ঘটনার পরই বৈশাখীকে নিশানা করে রত্না চট্টোপাধ্যায় কলকাতা 24×7-কে বলেন, “ওনার মন মতো কিছু না হলেই উনি রেগে যান৷ বিজেপি কেন সারা ভারতবর্ষে যত পার্টি আছে সেই পার্টিতে গেলে ওনার সন্তুষ্টি হবে না৷ কারণ ওনার বক্তব্য হল শোভন চট্টোপাধ্যায় সিঁড়ি, তাঁকে বেয়ে আমি বিজেপিতে ঢুকেছি, শোভন চট্টোপাধ্যায় ভাঁড়মে যাক, আমাকে সম্মান দাও৷ আরে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অকাতই জানেন না৷ বুঝতে পারছে না ওর কোনও ভ্যালু এই সমাজে নেই৷ যে বিজেপি ওকে সম্মান দেবে৷”

এরপরই বৈশাখীকে তীব্র আক্রমণ করেন রত্না৷ বলেন, “এই সমাজে একজন নষ্ট মেয়ে হিসেবে তিনি পরিচিত৷ সেই নষ্ট মেয়েকে ভারতবর্ষের কোনও দলই স্টেজে তুলে ফুল-মালা দেবে না৷ উনি তো জোর করে ফুল-মালা নিচ্ছেন৷ মালা পরার জন্য দিল্লিতে পর্যন্ত ফোন করেছেন৷ যে স্বপ্ন নিয়ে বিজেপিতে এসেছেন যে এমএলএ হবেন এমপি হবেন, সেই স্বপ্ন ধুলিসাৎ হবে৷”