স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এতদিন নতুন রেশন কার্ডের আবেদন করতে অনেক ঝক্কি পোহাতে হত। এবার বাড়িতে বসে স্মার্ট ফোন থেকেই নতুন রেশন কার্ডের আবেদন করা যাবে। শুধু লাগবে দশটি বিশেষ ডকুমেন্টস। রেশন কার্ড থাকলেই দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে মিলবে রেশন।

দেশজুড়ে এক দেশ এক রেশন কার্ড জারি হওয়ার পরই রেশন কার্ড আরও জরুরি হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের কাছে ৷ কিন্তু আপনার রেশন কার্ড না থাকলে কোনও চিন্তা নেই।

এবার খুব সহজেই এই কার্ড আবেদন করা যাবে। এর জন্য সব রাজ্যই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে৷ আপনি যে রাজ্যের বাসিন্দা সেই রাজ্যের ওয়েবসাইটে গিয়ে রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

রেশন কার্ড তৈরির জন্য ৫ থেকে ৪৫ টাকা চার্জ দিতে হতে পারে৷ আবেদন পত্র ফিল আপ করার পর চার্জ জমা দিন ও অ্যাপ্লিকেশন জমা দিন ৷

দেখে নিন কিভাবে আবেদন করবেন? আবেদনকারীকে প্রথমে নিজের রাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে। এরপর Apply online for ration card লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে।

রেশন কার্ড তৈরির জন্য আইডি প্রুফ হিসেবে আধার কার্ড, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট, হেলথ কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্স আইডি প্রুফ হিসেবে দেওয়া যেতে পারে।

আবেদন পত্র ফিল আপ করার পর চার্জ ও অ্যাপ্লিকেশন জমা দেওয়ার পর ফিল্ড ভেরিফিকেশন হবে। আবেদন সঠিক হলে রেশন কার্ড তৈরি হয়ে যাবে। তবে নিজের রাজ্যের ওয়েবসাইট জেনে নিয়ে আবেদন করতে হবে। বেশকিছু রাজ্য এখনও এই ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেনি।

বাংলার বাসিন্দারা https://wbpds.gov.in/ এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাপ্লিকেশন করতে পারেন।

প্রসঙ্গত, রেশন কার্ড তিন প্রকারের হয়ে থাকে : দারিদ্রসীমার উপরে (APL), দারিদ্রসীমার নীচে (BPL), অন্ত্যোদয় ক্যাটাগরিতে বিপুল সংখ্যক গরিব পরিবার রয়েছে ৷

এই ক্যাটাগরি যে কোনও ব্যক্তির বার্ষিক আয়ের উপর নির্ভর করে ৷ রেশন কার্ড তৈরি করার জন্য নিম্নলিখিত এই শর্তগুলো মানতে হবে: ১.ব্যক্তিকে ভারতের নাগরিক হতে হবে ৷ ২. আবেদনকারী ব্যক্তির কাছে অন্য রাজ্যের রেশন কার্ড থাকলে হবে না ৷ ৩.যার নামে রেশন কার্ড তৈরি হচ্ছে তার বয়স ১৮ বছরের বেশি হতে হবে ৷ ৪.১৮ বছরের কম বয়সী বাচ্চার নাম তার বাবা মায়ের রেশন কার্ডে সামিল করা হয় ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।