হিন্দু ধর্মে মা কালীর মহিলা সর্বজনবিদিত। বিভিন্ন তিথিতে বিভিন্ন রূপে পূজিত হন দেবী। মাঘ মাসের চতুর্দশী অমাবস্যায় হয় রটন্তী কালীপূজা হয়। আর বৃহস্পতিবারই ছিল সেই পূণ্য তিথি। তাই এদিন সারারাত ধরে পূজা হচ্ছে বিভিন্ন মন্দিরে।

“রটনা” শব্দ থেকে রটন্তী শব্দটা এসেছে। রটনা শব্দের অর্থ প্রচার হওয়া। মনে করা হয়, এই বিশেষ দিনেই দেবীর মহিমা চতুর্দিকে রটে যায়। মুক্তকেশী মায়ের মহিমা এই তিথিতেই সর্ব স্তরে রটিত হয়ে থাকে। আবার এদিনই দেবী ছিন্নমস্তার আবির্ভাব তিথি বলে জানা যায়। দেবী পার্বতী তাঁর সহচরী দের ক্ষুধা মেটানোর জন্য নিজ মুণ্ড কেটে ত্রিধারায় রক্তবারি প্রকট করেছিলেন।

শাস্ত্রের কাহিনী অনুযায়ী, রাধা যখন শ্রীকৃষ্ণের প্রেমলীলায় মত্ত তখন একদিন দুপুরে গোপীনিরা বাঁশির আওয়াজ শুনে চমকে ওঠেন। রাধিকা তখন রাঁধছিলেন। তিনিও ছুটলেন।

আয়ান ঘরে ফিরলে রাধার কীর্তির কথা তাঁকে বলা হল। বিশ্বাস করেননি তিনি, তাই ছুটে গেলেন বনে। গিয়ে দেখলেন সামনে ইষ্টমূর্তি। শ্রীরাধা যে স্বয়ং আদ্যাশক্তি তা বুঝতে পেরেছিলেন তিনি।

এই ঘটনাটি স্মরণ করেই আজকের এই রটন্তী কালী পূজা। যাদের জীবনে দাম্পত্যকলহ চলছে বা যারা কোন অবাঞ্ছিত কারণে দাম্পত্য সুখ থেকে বঞ্চিত বা যারা সদ্য প্রেম হারিয়েছেন অথবা প্রেম নিবেদন করেও তেমন কোন সুফল পাননি তারা এই সময় রটন্তী কালীর আরাধনার মাধ্যমে নিশ্চিত ভাবে সফলতা লাভ করতে পারেন বলে মনে করা হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা