নয়াদিল্লি: ১২বছর আগের মুম্বই হামলার ঘটনাটা ভোলা যায় না। এমনই অভিমত প্রকাশ করেছেন শিল্পপতি রতন টাটা। মুম্বইতে সেদিন সন্ত্রাসবাদীদের তান্ডবের ভয়ঙ্কর স্মৃতি তিনি কোনোদিনই ভুলতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন।

ইনস্ট্রাগ্রাম পোস্টে তিনি লিখেছেন, ১২ বছর আগে এই দিনে যেভাবে ধ্বংসলীলা চলেছিল সেটা ভোলার নয়। তবে সেদিন সন্ত্রাসবাদ ধ্বংসলীলা মুছে দিতে যাবতীয় বিরোধ ও ব্যবধান ঘুচিয়ে দিয়ে গোটা মুম্বই শহরের মানুষজন একজোট হয়ে এগিয়ে এসেছিল সেটা আরও বেশি করে মনে রাখার। পাশাপাশি অবশ্য টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান এমেরিটাস শোক প্রকাশ করেন সেদিন যাদের মৃত্যু হয়েছিল তাদের জন্য।

তিনি লিখেছেন, আজ আমরা শোক প্রকাশ করব আর যারা শত্রু জয়ের জন্য বলিদান দিয়েছেন সেইসব সাহসীদের সম্মান জানাবো। জয় গান গাইব একতা সংবেদন শীল সমবেদনা মুলক আচরণের যেটা আগামী বছরগুলিতেও লালন পালন করব, সমৃদ্ধ করবো বলে আশা করছি।

লেখার পাশাপাশি রতন টাটা মুম্বই তাজ হোটেলের একটি ছবি শেয়ার করেছেন যাতে তিনি ক্যাপশন দিয়েছেন আমরা স্মরণ করছি বলে। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর পাকিস্তান মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা‌ মুম্বই শহরে সুপরিকল্পিতভাবে গুলি-বোমা সহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছিল।

তাজ হোটেল, ট্রাইডেন্ট হোটেল, ছত্রপতি শিবাজী টার্মিনাস সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় এই হামলা চলে। পুরো অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে চার দিন সময় লেগেছিল। গোটা ঘটনায় ৬ মার্কিন নাগরিক, ৯ জন জঙ্গিসহ ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়। তাছাড়া তিন শতাধিক লোক আহত হয়েছিল।

মুম্বইয়ের ওই হামলায় সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে টুইট করেছেন মুম্বই পুলিশ। তাছাড়া মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি, মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে সহ অন্যান্য মন্ত্রীরা শ্রদ্ধা জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।