নয়াদিল্লি:  অনেকেই বলে ভালোবাসা অন্ধ। সে কিছু দেখতে পায় না। নিজের মত করে সে হাজির হয় আচমকা। একেবারে দমকা হাওয়ার মত এসে সে উড়িয়ে নিয়ে যায় সব কিছু। মেলে না কোন হিসেব। এক অদ্ভুত মায়াজালের মত সব কিছুকে গুলিয়ে দেয়। আর সেই ভালবাসার দমকা হাওয়াতে উড়ে গিয়েছিলেন রতন টাটাও। যিনি ভারতীয় ব্যবসায়ী জগতে এক উজ্জল নক্ষত্র। পেয়েছেন পদ্ম সম্মানও। তিনিও পরেছিলেন এই ভালবাসার মায়াজালে।

সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি তার জীবনের নানা অজানা কথা তুলে ধরেছিলেন। জানিয়েছিলেন তার জীবনে আসা ভালবাসার কথাও।

তিনি কলেজ জীবনের পরে লস এঞ্জেলেসে থাকার সময়ের কথাও জানিয়েছিলেন। এও জানিয়েছিলেন নিজের পড়াশোনা শেষ করে তিনি দেশে ফিরে আসতে চেয়েছিলেন। কারণ তার ঠাকুমার শরীর ভালো ছিল না। পাশাপাশি তিনি যাকে ভালোবাসতেন তার পরিবারও১৯৬২ সালের ইন্দো চিন যুদ্ধের কারণে ঠিক ছিলেন না। যার প্রভাব পড়েছিল তাঁদের সম্পর্কে।

রতন টাটা আরও উল্লেখ করেছেন যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করার পরে তিনি এলএ-তে একটি আর্কিটেকচার ফার্মে জয়েন করেছিলেন এবং সেখানে তিনি দু’বছর কাজ করেছিলেন। নিজের একটি গাড়িও কিনেছিলেন এবং নিজের কাজটি ভালবাসতেনও। তবে, তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে তিনি তাঁর ঠাকুমার সঙ্গে দেখা করতে ফিরে এসেছিলেন এবং ভেবেছিলেন যে যার সঙ্গে তিনি বিয়ে করতে চেয়েছিলেন তিনিও তার সঙ্গে ফিরে আসবেন৷

কিন্তু ইন্দো-চীন যুদ্ধ সবই বদলে দেয় এবং সম্পর্কটিও ভেঙে যায়। টাটা তার ঠাকুমার সঙ্গে সম্পর্কের কথা এবং তাঁর বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদের কারণে কীভাবে তিনি এবং তাঁর ভাই প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছিলেন সে সম্পর্কেও কথা বলেছেন।

ফেসবুক পোস্টে রতন টাটা জানিয়েছিলেন তার বাবার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা। তার মা এবং বাবার বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পরে তাঁদের পক্ষে ঠিক করা সম্ভব ছিল না কে ঠিক আর কে ভুল।