দুবাই: ব্যাট হাতে দুই ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা এবং ডেভিড ওয়ার্নারের তান্ডবের পর দুবাইয়ে বল হাতে সানরাইজারস বোলারদের দাপট। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আফগান লেগ-স্পিনার রশিদ খান। তাঁর বিষাক্ত ঘূর্ণিতেই সমস্ত জারিজুরি শেষ দিল্লি ক্যাপিটালসের সমীহ জাগানো ব্যাটিং লাইন-আপের। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার চলতি আইপিএলের সবচেয়ে ইকোনমিক স্পেল উপহার দিলেন আফগান স্পিনার।

মূলত তাঁর বিষাক্ত স্পিনেই গুটিয়ে গেল দিল্লির টপ-অর্ডার। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত করলেন সন্দীপ শর্মা এবং শাহবাজ নাদিমরা। তবে চলতি আইপিএলের শুরু থেকেই ফর্মে থাকা পয়লা নম্বর টি২০ বোলার এদিন দুবাইয়ে নিজেকেই নিজে ছাপিয়ে গেলেন। চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ৭ রান দিয়ে এদিন ৩টি উইকেট তুলে নিলেন রশিদ। যার মধ্যে দিল্লি ইনিংসের সপ্তম ওভারে এসে একই ওভারে ফেরালেন মারকুটে ব্যাটসম্যান শিমরন হেটমেয়ার এবং আজিঙ্কা রাহানেকে। এটিই ছিল তাঁর দিনের প্রথম ওভার।

এদিন নিজের প্রথম ওভারে দু’টি উইকেট তুলে নেওয়ার পাশাআশি মাত্র ১ রান খরচ করেন রশিদ। এরপর ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ওভারে ২ এবং তৃতীয় ওভারে ৩ রান দেন আফগান স্পিনার। এরপর দিল্লি ইনিংসের ত্রয়োদশতম ওভারে ব্যক্তিগত চতুর্থ ওভারে মাত্র ১ রান খরচ করে অক্ষর প্যাটেলকে প্যাভিলিয়নে ফেরান রশিদ। একইসঙ্গে চার ওভারে ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট ঝুলিতে ভরে চলতি টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ইকোনমিক স্পেল উপহার দেন তিনি। কার্যত একার হাতেই দিল্লি ব্যাটিং লাইন-আপের কোমর ভেঙে দেন তিনি।

ত্রয়োদশ ওভারে রশিদ যখন স্পেল শেষ করেন দিল্লির রান সংখ্যা তখন ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৩ রান। ২২০ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে তখন হার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে দিল্লি শিবিরের। এর আগে এদিন দুবাইয়ে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রান তোলা সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সৌজন্যে ঋদ্ধিমান সাহার ৪৫ বলে বিস্ফোরক ৮৭ এবং অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারের ৩৪ বলে ৬৬ রান। যোগ্য সঙ্গত মনীশ পান্ডের ৩১ বলে ৪৪ রান।

হায়দরাবাদ বোলারদের সামনে এদিন রীতিমতো অসহায় দেখায় দিল্লির তারকাখোচিত বোলিং বিভাগকে। ২৫ ম্যাচ পর আইপিএলের কোনও ম্যাচে এদিন উইকেটহীন রইলেন দিল্লির প্রোটিয়া পেসার কাগিসো রাবাদা। ২০১৭ পর এই প্রথম আইপিএলে কোনও ম্যাচে এসে উইকেট পেলেন না এই অবধি টুর্নামেন্টের পার্পল ক্যাপ হোল্ডার। উলটে ৪ ওভারে খরচ করলেন ৫৪ রান।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।