মুম্বই: শেষ হয়ে গিয়েছে বিগ বস ১৩। যে প্রতিযোগী দর্শকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে রয়েছেন তিনি হলেন রেশমি দেসাই। খুব অল্প বয়সে টেলিভিশনে নিজের যাত্রা শুরু করে বর্তমানে অতি পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি। কাজ করেছেন একাধিক মেগা সিরিয়াল এবভং বেশ কিছু ভোজপুরি সিনেমাতেও। নারী দিবস উপলক্ষে তিনি সকলের সামনে নিয়ে এলেন তাঁর জীবনের অন্ধকার বেশ কিছু অধ্যায়।

নিজের ওজন, জামা কাপড় এমনকি নিজের শারীরিক গঠন নিয়েও তাকে সমালোচনার শিকার হতে হয়েছিল। রেশমি জানিয়েছেন তাঁর ওজন নিয়ে সমস্যা রয়েছে অর্থাৎ কখনও বেড়ে যায় আবারও কখনও তাঁর ওজন কমে যায়। সেই সব কিছু নিয়ে তাকে কঠোর সমালোচনার শিকার হতে হয়েছিল। তবে তিনি ভেঙে না পরে শক্ত হয়ে উত্তর দিয়েছেন। যে সকল মানুষেরা আড়াল থেকে তাকে আঘাত করে গেছে সমালোচনায় বিদ্ধ করে গিয়েছে তাদের সকলকে কঠোর ভাবে উত্তর দিয়েছেন উত্তরণের তপস্যা।

জানিয়েছেন তাঁর যা মনে হয়েছে করেছেন। তাঁর নিজের শরীরে যে পোশাক পড়তে ইচ্ছে হয়েছে তাই পড়েছেন। এও জানিয়েছেন বিশেষ কোন দিন নয় প্রতিটা দিন নারী দিবস। পুরুষের সমকক্ষ নারীরা। তাই আলাদা করে নারী দিবস পালন না করে প্রতিটা দিন নারী দিবস হিসেবে পালন কড়া উচিত। নারীরা একাধারে কখনও মা, কখনও মেয়ে কখনও বা অন্য কোন রূপে সকলের সেবা করেন সব কিছু সামলান দশভুজার মত।

বিনোদন জগতে পারিশ্রমিকের বিষয়ে তিনি জানান যদি কোন পুরুষ শিল্পী তাঁর থেকে বেশী পারিশ্রমিক পান তাহলে এটা বোঝা উচিত তিনি বেশী পরিশ্রম করছেন। তা নিয়ে বলার কিছু নেই। সকলকেই নিজের চিন্তা ভাবনা পরিস্কার রাখা উচিত বলেও জানিয়েছেন তিনি। এও জানিয়েছেন এই মুহূর্তে তারা সেই জায়গাতে পৌঁছাননি যেখানে এইজন পুরষ এবং মহিলা শিল্পী সম হারে পারিশ্রমিক পাবেন।

ইন্ডাস্ট্রিতে ১৫ বছরের বেশী সময় কাটিয়ে ফেলেছেন রেশমি দেশাই। এখনও তিনি মাটিতে পা রেখে চলতেই পছন্দ করেন। গ্ল্যামারের ছটায় তাঁর যে মাথা ঘুরে যায়নি তা তিনি বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন নিজের কাজ এবং ব্যবহারের মধ্য দিয়ে। তিনি জানিয়েছেন তাঁর কাজ এই মুহূর্তে সব থেকে বেশী গুরুত্বপূর্ণ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.