শনিবার সন্ধ্যায় এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকল ভারত। ঠিক বিকেল ৫টা নাগাদ পৃথিবী এবং মঙ্গল গ্রহের মধ্যে চলে আসে অর্ধচন্দ্র। যা খালি চোখেই পৃথিবী থেকে দেখা যায়।সাধারণত পৃথিবী থেকে বছরে দুবার এই দুর্লভ মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যায়।

ভারতীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যায় মঙ্গলকে।মহাজাগতিক এই ঘটনাটি ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল থেকে দেখা গিয়েছে।প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে সেই মহাজাগতিক প্রক্রিয়া।

জ্যোতির্বিদরা জানিয়েছেন, শনিবার বিকেল ৫ টা থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই সময় মঙ্গলকে ঢেকে দেয় চাঁদ। তার জেরে লালগ্রহকে উজ্জ্বল ‘ডট’ বা বিন্দুর মতো দেখায়। সেই সময় আকাশে দেখা যায়নি মঙ্গলগ্রহকে। এমনিতে খালি চোখেই দেখা যায় সেই মহাজাগতিক দৃশ্য। তবে ছোটো বাইনোকুলার বা ছোটো টেলিস্কোপ দিয়ে সেই দৃশ্য সাক্ষী থাকার পরামর্শ দিয়েছিল জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

একভাবে পর্যবেক্ষণ করার পর কারোর এতটুকু বুঝতে অসুবিধা হয়নি কীভাবে ধীরে ধীরে মঙ্গল এবং চাঁদের দূরত্ব কমে আসছে। এবং এইভাবে একটা সময় পরেপুরোপুরি চাঁদের পিছনে লুকিয়ে যায় মঙ্গল। সেই প্রক্রিয়ায় ন’সেকেন্ড সময় লাগে। তারপর ধীরে ধীরে আবার চাঁদের পেছন থেকে বেরিয়ে আসে মঙ্গল।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা ন্যাশনাল অ্যারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) এর মতে, এইরকম দুর্লভ ঘটনা তখনই ঘটে যখন যখন কোনও ছোট বস্তু অন্য বড় বস্তুর সামনে চলে যায়, উদাহরণস্বরূপ যখন চাঁদটি কোনও দূরবর্তী নক্ষত্রের সামনে চলে যায়।উল্লেখ্য, ইউরেনাসের রিংগুলি এইভাবেআবিষ্কার করা হয়েছিল।নাসার কুইপার এয়ারবর্ন অবজারভেটরি ইউরেনাসের রিংটি আবিষ্কার করেছিল।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১০ মে ভারত থেকে এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা গিয়েছিল । জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, সেই দৃশ্যের সাক্ষী থাকার জন্য প্রথমে চাঁদের দিকে তাকাতে হবে। তারপর মঙ্গলগ্রহের জন্য আকাশের পূর্ব দিকে তাকানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। যে জায়গা থেকে দেখবেন, সেখানে যদি সূর্য অস্ত চলে যায়, তাহলে মঙ্গলগ্রহ সহজেই দেখা যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.