ওয়াশিংটন : যে প্রজাতির প্রাণী যত দ্রুত পালটে যাওয়া পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে সক্ষম, সেই প্রজাতির প্রাণী তত বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারবে। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য। সমীক্ষা আরও জানাচ্ছে, পৃথিবীতে বর্তমানে যেসব প্রাণী বেঁচে রয়েছে, তারা পরিবেশের বদলের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম (naturalized species can evolve rapidly)।

জৈব প্রক্রিয়ার বারবার পরিবর্তনে বদল আসছে জীবন চক্রে। ফলে প্রভাব পড়ছে বাস্তুচক্র থেকে খাদ্য-খাদকের সম্পর্কে। দেখা গিয়েছে পরিবেশের বদল যেভাবে হচ্ছে বা যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তিত হচ্ছে, তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারলে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে তাই দ্রুত অভিযোজন ঘটাচ্ছে প্রাণীজগত।

বিজ্ঞানীরা দেখেছেন হিংস্র প্রাণীদের মধ্যেও অভিযোজন ঘটানোর অদ্ভুত প্রক্রিয়া রয়েছে। অধ্যাপক ও প্রাণী বিশেষজ্ঞ সেথ রুডম্যান জানাচ্ছেন পরিবেশের বদলের সঙ্গে খাপ খাইয়ে ধীরে ধীরে নিজেদের প্রতিক্রিয়া ও অভ্যাস বদল করে প্রাণীরা। রুডম্যান বলছেন পরিবর্তন প্রাণীই অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে টিঁকে থাকতে সক্ষম।

এই সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে প্রসেডিং অফ ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস পত্রিকায়। এর আগে, প্রকাশিত তথ্যে জানা যায় কমপক্ষে চার জন বিখ্যাত প্রকৃতিবিদ প্রাণীদের রং নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। প্রথম জনের নাম হল চার্লস ডারউইন। তিনি অভিযোজন এবং রং নিয়ে অতিমাত্রায় সচেতন ছিলেন।

সমীক্ষা বলছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে এই রকম অভিযোজনের মাত্রা ভীষণ ভাবে লক্ষ্যণীয় মাছিদের মধ্যে (adaptation quality of fruit fly)। বিভিন্ন প্রজাতির মাছি নিজেদের অভিযোজন করে পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম (fruit fly habitat)। উত্তর আমেরিকায় দেখতে পাওয়া যাওয়া দুরকম মাছি নিয়ে গবেষণা রয়েছে। প্রথমটির বৈজ্ঞানিক নাম ড্রোসোফিলা মেলানোগাস্টার, দ্বিতীয়টির নাম জ্যাপ্রিওনাস ইন্ডিয়ানাস।

অন্যদিকে জানা গিয়েছে প্রাণীরা অন্যের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দিতায় দুটি কৌশলগুলি ব্যবহার করে। একটি অসম্পর্কিত (ক্রিপ্টিক), অন্যটি বিষ ঢালা (টক্সিন বা ভেনম)। বিষের ক্ষেত্রে সমস্যাটি হল কাজের পর ফলাফল পেতে কিছুক্ষণ সময় লাগে। যে সব প্রাণীরা এভাবে শিকার ধরে তারা রঙিন হয়। তারা এর মাধ্যমে উলটো দিকের প্রাণীকে সতর্ক করে। একে বলা হয় অ্যাপোসোমেটিজম। কিছু প্রজাতিগুলি আবার কেবল রঙিন হয়। এগুলি বিষাক্ত বা বিষাক্ত জাতীয় প্রাণীর মতো হলেও বিষ ছাড়াই এরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।