স্টাফ রিপোর্টার, দিনহাটা: রক্ষকই ভক্ষক! বহুল ব্যবহারে জীর্ণ এই প্রবাদের জলজ্যান্ত উদাহরণ বলা যেতে পারে অজয় বর্মণকে৷ স্ত্রী ঘরে না থাকার সুযোগে গুনধর এই ‘পিতা’ নিজের মেয়েকেই ধর্ষণের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ৷ অভিযোগের ভিত্তিতে আপাতত তার ঠাঁই হয়েছে শ্রীঘরে৷ ঘটনাটি সীমান্ত ঘেঁষা দিনহাটার নাজিরহাটের সেওড়াগুড়িতে৷ ‘গুনধর’ পিতার এহেন কার্যকলাপের জেরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে৷ সকলেই অভিযুক্ত পিতার কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন৷

উত্তর দিনাজপুরের পুলিশ সুপার অনুপ জয়সওয়াল বলেন, ‘‘নির্যাতিতা মেয়েটির মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তার বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ ধৃতকে বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হবে৷’’ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তঘেঁষা দিনহাটার নাজিরহাটের সেওড়াগুড়ির ঘটনা৷ মঙ্গলবার সন্ধেয় অভিযুক্ত অজয় বর্মণের স্ত্রী কনা বর্মণ মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়েছিলেন. অভিযোগ, ঘরে মেয়েকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে তার বাবা৷ নাবালিকার মা কনা বর্মণ বলেন, ‘‘আমার ভাবতেই লজ্জা লাগছে বাবা হয়ে কেউ মেয়েকে ধর্ষণ করতে পারে৷ আমি মাঠ থেকে ফিরে আসার পর মেয়ে পুরো ঘটনা বলে৷ এবিষয়ে স্বামীকে বলতে গেলে সে আমাকেও মারধর করে৷’’

বুধবার সকালে অবশ্য ঘটনাটি জানাজানি হতেই প্রতিবেশীরা অজয় বর্মণকে গণধোলাই দেন৷ নির্যাতিতা নাবালিকার মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে৷ বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হবে৷ ঘটনার জেরে এলাকায় তীব্র চা়্চল্য ছড়িয়েছে৷ সকলেই অভিযুক্তর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন৷