স্টাফ রিপোর্টার (বাঁকুড়া): নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ধৃত প্রাথমিক শিক্ষক ফিরোজ খানের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালত। বৃহস্পতিবার ইন্দাস থানার পুলিশের পক্ষ থেকে স্থানীয় বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই শিক্ষককে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে অভিযুক্ত শিক্ষককে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

পড়ুন আরও- নাবালিকা ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ, মুসলিম শিক্ষককে গণপিটুনি

প্রসঙ্গত, বুধবার ইন্দাস বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে এলাকার অভিভাবকরা ব্যাপক মারধোর করে। অর্ধনগ্ন অবস্থায় তাকে এলাকায় ঘোরানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের সুস্পষ্ট অভিযোগ ছিল, নানান অছিলায় তিনি চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীদের শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিতেন।

এমনকি ছাত্রীরা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলেও তা তাকে দেখাতে বাধ্য হতো বলেও অভিযোগ। অভিভাবকদের তরফে লিখিত অভিযোগ জানানোর পর পক্সো আইনে শিক্ষক ফিরোজ খানকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এদিন তাকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত ওই প্রাথমিক শিক্ষক ফিরোজ খানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে সরব হয়েছেন অভিভাবকেরা। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সহকর্মীকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন অভিযোগ তুলে নিগৃহিতা ছাত্রীর বাবা বলেন, ওই শিক্ষক যাতে উপযুক্ত শাস্তি পায় সেই দাবীই জানাচ্ছি। কোন স্কুলে এই ঘটনার পূনরাবৃত্তি যাতে না হয় সেকারণেই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীও জানিয়েছেন তিনি।