স্টাফ রিপোর্টার, মছলন্দপুর: তান্ত্রিকের কাছে সাংসারিক সমস্যার সমাধান করতে গিয়েছিলেন। উল্টে সেই তান্ত্রিকের বিরুদ্ধেই ধর্ষনের অভিযোগ আনলেন উত্তর ২৪ পরগনার মছলন্দপুর এলাকার এক গৃহবধূ। ওই গৃহবধূর অভিযোগ, তাঁকে মছলন্দপুর থেকে পুজো দেওয়ার নামে তারাপীঠে নিজের আস্তানায় নিয়ে গিয়ে মদ খাইয়ে ধর্ষণ করেছে তান্ত্রিক সুমন হরি।

এই বিষয়ে মছলন্দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে ঘটনার অভিযোগ দায়ের হলে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় অভিযুক্ত তান্ত্রিক সুমন। জানা গিয়েছে, ওই মহিলা সংসারিক সমস্যা মেটাতে মছলন্দপুর এলাকার তান্ত্রিক সুমন হরির দ্বারস্থ হন।

তান্ত্রিক মহিলাকে জানায়, তার স্বামী বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত, সে ওই সমস্যার সমাধান করে দেবে। ওই মহিলা তান্ত্রিকের কথা বিশ্বাস করেন এবং সমস্যার সমাধান পেতে তান্ত্রিকের দ্বারস্থ হন। সেই সমস্যার সমাধান করে দেবে বলে ওই তান্ত্রিক মধ্যবয়সী গৃহবধূকে তারাপীঠ নিয়ে যান যজ্ঞ করে পুজো দেবেন বলে।

সেখানেই ওই তান্ত্রিকের হাতে ধর্ষণের শিকার হন গৃহবধূ। তারাপীঠের অভিযুক্ত তান্ত্রিক তার নিজস্ব ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে মদ খাইয়ে বেহুশ করে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।

পরে তাঁকে হুমকি দিয়ে জানানো হয়, ধর্ষণের কথা কাউকে বললে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমস্ত অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ফাঁস করে দেওয়া হবে। বছর ৪০ এর ওই গৃহবধূ এবিষয়ে প্রথমে লজ্জায় মুখ খুলতে চায়নি । পুলিশের কাছে পরে ওই মহিলা দ্বারস্থ হন।

তন্ত্র সাধনা ও ও যজ্ঞ করতে গৃহবধূর কাছ থেকে নগদ ১৫ হাজার টাকাও অভিযুক্ত তান্ত্রিক আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মঙ্গলবার মছলন্দপুর ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তদন্তে নেমে পুলিশ অভিযুক্ত তান্ত্রিক সুমন হরিকে মছলন্দপুর শিমুলপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

ওই এলাকায় তান্ত্রিকের বাড়ি হলেও সে তারাপীঠ গিয়ে তন্ত্র সাধনা করত। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও ধর্ষণের মামলা রুজু করেছে পুলিশ । অভিযুক্ত তান্ত্রিককে জেরা করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।