মুম্বই: একটি গান গেয়েই রাতারাতি ভাইরাল হয়েছিলেন রানাঘাটের রানু মণ্ডল। এক পেয়ার কা নগমা হ্যায় গানটি গেয়ে তিনি লতাকণ্ঠীর তকমা পেয়েছেন তিনি। রানু প্রসঙ্গেও লতা এক সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছেন, নকল করে বেশিদিন স্থায়ী হওয়া যায় না। টিকে থাকতে গেলে নিজস্বতা প্রয়োজন। এই প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন খোদ রানু মণ্ডল।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে রানু বলেন, লতাজির থেকে বয়স আমি ছোট ছিলাম, আছি ও থাকবও। ছোটবেলা থেকেই ওঁর গান আমার পছন্দ।

কিছুদিন আগে লতা মঙ্গেশকর এক সংবাদমাধ্যমের কাছে রানু মণ্ডল প্রসঙ্গে বলেন, আমার নাম ব্যবহার করে যদি কারো কাজে সুবিধা হয়, সেক্ষেত্রে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করব। কিন্তু আমি এও মনে করি যে নতল করে কখনও স্থায়ী হওয়া যায় না। আমার, কিশোরদার, রফি সাব, মুকেশ ভাইয়া বা আশার গান গেয়ে উঠতি শিল্পীরা ক্ষণিকের খ্যাতি পেতে পারেন। কিন্তু এতে টিকে থাকা যায় না।

এই মন্তব্যের প্রসঙ্গে হিমেশও এক সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেন। তিনি বলেন, আমাদের বুঝতে হবে লতাজি কী অর্থে কথাগুলি বলেছেন। কারোকে নকল করতে থাকলে খুব একটা লাভ হয় না। কিন্তু আমার মনে হয় কারোর দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়াটা খুবই জরুরি।

প্রসঙ্গত, হিমেশ রেশামিয়ার আসন্ন ছবি হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হীর ছবিতে তিনটি গান গেয়েছেন রানু। মুম্বই-এ এক রিয়্যালিটি শোয়ে রানুর গান প্রথম বার শোনার পরেই তাঁকে ছবিতে গান গাওয়ার প্রস্তাব দেন হিমেশ। সেই মতোই হিমেশের ছবিতে তিনটি গান গেয়েছেন রানাঘাটের রানু। তার মধ্যে একটি গান ইতিমধ্যেই মুক্তি পেয়েছে এবং তা সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল।