ফাইল ছবি

কলকাতা: বর্তমানে দক্ষিণেশ্বর মন্দির মায়ের ভক্তদের এক বিশেষ গন্তব্যস্থল। কালীপুজোয় সেখানে মা ভবতারিণীকে দর্শনের জন্য নামে ভক্তদের ঢল। শোনা যায়, রানি রাসমণি দেবী কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।

মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ে রামকৃষ্ণ পরমহংসের দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায় রানিকে অনেক সাহায্য করেছিলেন। রামকুমারই ছিলেন মন্দিরের প্রথম প্রধান পুরোহিত । সেই দাদার হাত ধরেই গদাই এসেছিলেন দক্ষিণেশ্বরে৷

১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হন মা ভবতারিণী। শেওড়াফুলির নিস্তারিণী মায়ের মুখ এতটাই পছন্দ হয়েছিল রানি রাসমণির যে, তার আদলেই মুখাবয়ব তৈরি করা হয় দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণীর।

কথিত আছে, রাণী জাতিতে শূদ্র হওয়ায় সামাজিক প্রথা অনুযায়ী কোনও ব্রাহ্মণ এমনকি রাণীর গুরুদেবও দেবীকে অন্নভোগ দিতে রাজী ছিলেননা। তখন পণ্ডিত রামকুমার চট্টোপাধ্যায় তিনি বিধান পাঠান। তিনি বলেন মন্দির প্রতিষ্ঠার আগে কোন ব্রাহ্মণকে মন্দির দান করা যায় ও ব্রাহ্মণ যদি দেবীকে প্রতিষ্ঠা করে অন্নভোগ দেন তাহলে তা অশাস্ত্রীয় নয়। অগত্যা রাণী রাসমনি এই ব্রাহ্মণ পণ্ডিতকেই কাজ করার জন্য আহ্বান করেন। রামকুমার তখন রামকৃষ্ণকে(গদাধর) নিয়ে রাসমণির ইচ্ছায় বৃহস্পতিবার স্নানযাত্রার দিন ১৮৫৫সালে ৩১শে মে মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।

১৮৫৭-৫৮ সালে কিশোর রামকৃষ্ণ পরমহংস এই মন্দিরের পূজার ভার গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে তিনি এই মন্দিরকেই তাঁর সাধনক্ষেত্র রূপে বেছে নিয়েছিলেন।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।