মুম্বই : রাজ কাপুরের স্ত্রী কৃষ্ণা রাজ কাপুরের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিমহল৷ ১ অক্টোবর ভোর ৪ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি৷ জানা গিয়েছিল, গত দুই বছর ধরে শ্বাসকষ্ট জনিত অসুখে ভুগছিলেন তিনি৷ তাঁর শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন কাপুর পরিবার সহ গোটা টিনসেল নগরী৷ তবে বেশ লজ্জাজনক কারণে রানি মুখোপাধ্যায়, আমির খান, করিনা কাপুর খান, অনিল কাপুর, করণ জোহার ভাইরাল হয়েছেন৷ বলিউডের বিশিষ্ট এক ব্যক্তিত্বের শেষকৃত্যে এ সকল অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এমন ভাবে হাসাহাসি করেছেন যা পাপারাৎজীদের সুবাদে সকলের সামনে এসেছে৷

বেশ কয়েকটি ছবি, ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে তাঁদের হাসাহাসি এবং দেদার আড্ডার৷ একটি ছবিতে করণ, রানি, আমির এবং পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়কে হাসতে দেখা গিয়েছে৷ কেবল হাসাহাসি নয়, মন খুলে ঠাট্টা-ইয়ার্কিও করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের৷ চেম্বুরের কৃষ্ণা রাজ কাপুরের বাংলোতে সম্পন্ন হয় ফিউনেরালের সমস্ত কাজ৷ সেখানে অজস্র মিডিয়ার ক্যামেরায় ভরে ছিল৷ প্রত্যেক তারকাকে ক্যাপচার করার জন্য প্রস্তুত ছিল সংবাদমাধ্যম৷ সে কথা জানার সত্ত্বেও এমনটা কেন করলেন তা তো প্রশ্ন উঠছেই৷ পাশাপাশি তাঁদের সাধারণ জ্ঞান নিয়েও ধিক্কারে ভরছে সোশ্যাল মিডিয়া৷

ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

নেটিজেনের কথায়, “এরকম বাচ্চাদের মতো আচরণ এঁরা করলেন কী করে? যে কয়েকজন ছবিতে রয়েছেন, তাঁদের কারও থেকেই এটা আশা করা যায় না৷ বিশেষত মিস্টার পারফেকশনিস্টের এমন আচরণ কী করে সায় দিলেন বুঝছি না৷”ৱ

অন্যান্য আরও সাইবারসীরা লিখেতে থাকে, “লজ্জ্বা হওয়া উচিত তোমাদের৷ সাদা জামাকাপড় পরে এসে নিজেদের মহান দেখাচ্ছো, এদিকে এই রকম অবভ্য ব্যবহারে একবারও মাথায় এল না যে ভুল করছি?”, “যেখানে ক্যামেরা নেই সেখানে গিয়ে তো হাসতে পারতেন৷”

আরও পড়ুন: পুজোর আগে আচমকা তারকার পতনে শোকস্তব্ধ সিনেমহল

আরও পড়ুন: নো বিদেশ, দেশের মাটির এই দূর্গে বসতে চলেছে দেশীগার্লের বিয়ের আসর

করণ এবং রানিকে দেখে অনেকেই এ প্রশ্ন তুলেছে, “ওঁরা শেষকৃত্যে এসেছেন না পার্টিতে?”, “করণ আর রানি কী নির্লজ্জ! এরা সকলে ফেক৷ যশ চোপড়ার ছেলেকে বিয়ে করে ভাবছে অনেক বড়ো জায়গায় চলে গিয়েছে৷ কতিন্তু নিজের আসল পরিচয়কে লোকানো খুবই কঠিন রানি৷” আমির, করণ, রানি পাশাপাশি ট্রোলড হয়েছে কাপুর বংশের মেয়ে করিনাও৷ তাঁকেও রীতিমত হাসতে দেখা গিয়েছে৷ অনিল কাপুর এবং করিনা কোনও এক কারণে বেশ হাসাহাসি করছিলেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।