রাঁচি: পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআইয়ের বিশেষ আদলতে আজ হাজিরা দিচ্ছেন আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদব৷ বৃহস্পতিবার সকালে রাঁচি বাড়ির থেকে রওনা হন তিনি৷ সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে আজ হাজিরা দেবেন লালু৷

১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত লালুপ্রসাদের মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়ে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে আরজেডি প্রধানের বিরুদ্ধে৷ ওই মামলায় সিবিআই লালুর বিরুদ্ধে ট্রায়াল চালিয়ে যাচ্ছে৷ মামলা দ্রুত শেষ করতে লালুপ্রসাদ সহ বাকী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ৯০০ কোটি টাকার খাদ্য কেলেঙ্কারির মামলায় ট্রায়াল চালিয়ে যাচ্ছে সিবিআই৷

এর আগে ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছিল, গবাদি পশু খাদ্য কেলেঙ্কারি মামলা একটিই ফলে বেআইনি টাকা লেনদেনের প্রতিটি মামলায় আলাদা অভিযোগ আনা যাবে না লালুর বিরুদ্ধে৷ লালুর পাশাপাশি জগন্নাথ মিশ্র, অন্যতম আমলা সজল চক্রবর্তীকেও মামলায় ট্রায়ালের মুখোমুখি হতে হয়৷ আগামী নয় মাসের মধ্যে ট্রায়াল শেষ করার নির্দেশও দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷

এর আগে ট্রায়াল কোর্ট লালুপ্রসাদকে চাইবাসা ট্রেজারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সাজা শুনিয়েছে আদালত। এই মামলায় লালুকে এড়িয়ে যাওয়ায় এদিন ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট৷ এর পাশাপাশি কেন সিবিআই এতদিন বাদে এই ঘটনায় আদালতে আবেদন জানাল, তা নিয়ে সিবিআইকেও মৃদু ভর্ৎসনা করেছে শীর্ষ আদালত৷

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ৯০০ কোটি টাকার পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় নাম জড়ায় লালুপ্রসাদের৷ ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়ে দফতরকে কাজে লাগিয়ে বিহারের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রচুর টাকা তোলা হয়৷ লালুপ্রসাদের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানো ও নানা সুবিধা গ্রহণ করার অভিযোগ ওঠে। ২০১৩ এই মামলায় লালুপ্রসাদ-সহ ৩৮ জনকে দোষীসাব্যস্ত করে সাজা শোনানো হয়। পরবর্তীকালে ২০১৪ সালে ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট এই মামলায় লালুপ্রসাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খারিজ করে দেয়৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।