মুম্বই : অভিনেতা রণবীর কাপুর করোনা আক্রান্ত। চলতি বছরের প্রথম থেকেই নানা শ্যুটিংয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। একটি ওয়েব পোর্টালকে দেওয়া সাক্ষাতকারে রণবীরের কাকা রণধীর কাপুর এই তথ্য শেয়ার করেন। পরে রণবীর কাপুরের মা নীতু কাপুরও নিজের ইনস্টাগ্রামে এই তথ্য দেন। তিনি জানান, ফ্যানেদের উদ্বেগের জন্য ও শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by neetu Kapoor. Fightingfyt (@neetu54)

রণবীর কাপুর এখন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন বলে পরিবার সূত্রে খবর। করোনা বিধি মেনে সবরকম শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে তাঁর। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আপাতত তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে। আপাতত কাজ বন্ধ রেখেছেন তিনি।

উল্লেখ্য বর্তমানে বেশ কয়েকটি প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন রণবীর। আলিয়া ভাটের সঙ্গে ব্রহ্মাস্ত্র ছবির শুটিং করছেন তিনি। এই ছবিতে রয়েছে রণবীর, আলিয়া, অমিতাভ বচ্চন, মৌনি রায়। রণবীর কাপুরের পরবর্তী ছবি শমসেরার শুটিং শুরু হওয়ার কথা। এই ছবিতে রয়েছেন বাণী কাপুর, সঞ্জয় দত্ত।  এছাড়াও তাঁর হাতে রয়েছে লব-রঞ্জনের প্রজেক্ট, যার নাম এখনও ঠিক হয়নি। তবে ছবিতে রণবীরের বিপরীতে কাজ করবেন শ্রদ্ধা কাপুর। এই প্রথম সিলভার স্ক্রিনে একসাথে দেখা যাবে রণবীর-শ্রদ্ধাকে। আরও বেশ কয়েকটি ছবির কাজ, রয়েছে ডাবিংয়ের কাজও। ফলে সেই সব প্রজেক্ট আপাতত থমকে রয়েছে।

মাস কয়েক আগেই করোনা আক্রান্ত হন রণবীর কাপুরের মা নীতু কাপুর। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার হ্যান্ডেলে অসুস্থতার কথা নিজেই জানিয়েছিলেন নীতু। জানা গিয়েছিল বর্তমান প্রজেক্ট যুগ যুগ জিও শ্যুটিং করতে গিয়েই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। পরে সুস্থ হয়ে ফের কাজে যোগ দেন তিনি।

এবার পালা রণবীরের। বলিউডের এই হার্টথ্রবের শরীর যে ভালো নেই, তা ইঙ্গিতে জানিয়ে ছিলেন রণধীর কাপুর। যদিও নিজের অসুস্থতা নিয়ে কখনও মুখ খোলেননি রণবীর।

এর আগে সংবাদমাধ্যম মিড-ডের প্রতিবেদন জানায়, আলিয়া রণবীরের প্রথমে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং-এর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু দুই পরিবারই সেই পরিকল্পনা বাতিল করেছে। বরং মুম্বইতেই বসবে রণবীর-আলিয়ার বিয়ের আসর। তবে কবে হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত বিয়ে, তার তারিখ অবশ্য জানা যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।