নয়াদিল্লি: ইয়েস ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন কর্তা রাণা কাপুরের স্ত্রী বিন্দু ডিরেক্টর ছিলেন এমন সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে সিবিআই৷ তিনি অনন্ত ৪২টি সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন যারমধ্যে অনেকগুলিই হল লগ্নি সংস্থা ৷ ঋণ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ডিএইচএফএল-এর কাছ থেকে ৬০০ কোটি টাকা নেওয়ার বিষয়ে তদন্তে নেমে সিবিআই এই সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করেছে ৷

স্ত্রী বিন্দু ডিরেক্টর ছিলেন রাণা কাপুরের প্রধান লগ্নি এবং হোল্ডিং সংস্থার যার মধ্য রয়েছে মরগ্যান ক্রেডিট, ইয়েস ক্যাপিটাল (ইন্ডিয়া) ডোল্ট আমব্রেলা কোম্পানিজ, আরএবি ইত্যাদি৷

এদের মধ্যে বেশির ভাগই রিয়েল্টি নামের সংস্থা যেমন ব্লিস, ইমাজিন, মন্ত্রা যেখানে সন্দেহ দানা বেধেছে রিয়েল্টি ভেঞ্চারের নাম করে টাকা পাচারের ৷ দিল্লিতেই রয়েছে রাণা কাপুরের তিনটি বাংলো ৷ এই সব সংস্থার নাম রয়েছে সিবিআইয়ের এফআইআরে যার মধ্যে রয়েছে ডিএইচএফ এল ৷সিবিআই এফআইআর করেছে এই সংস্থার বিরুদ্ধে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, ঘুস ইত্যাদিতে ৷

আর সিবিআই-এর ওই এফআইআর-এ ব্যক্তিগত ভাবে নাম রয়েছে রাণা কাপুর, তাঁর স্ত্রী বিন্দু রাণা কাপুর ( আরএবি এন্টারপ্রাইজের ডিরেক্টর) , তাদের কন্যা রোশনী কাপুর ( মরগ্যান ক্রেডিট প্রাইভেট লিমিটেড এবং ডয়েট আর্বান ভেঞ্চারের ডিরেক্টর) রাখী কাপুর ট্যান্ডন ( মরগ্যান ক্রেডিটস প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর) এবং রাধা কাপুর খান্না ( মরগ্যান ক্রেডিটস প্রাইভেট লিমিটেডের এবং ডয়েট আর্বান ভেঞ্চার ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর)৷
তদন্তে দেখা গিয়েছে রাণা কাপুরের তিন মেয়ে রাখী রাখী কাপুর ট্যান্ডন, রাধা কাপুর খান্না, রোশনী কাপুরেরা হলেন ডয়েট আর্বান ভেঞ্চার ইন্ডিয়ার ১০০ শতাংশ শেয়ারের মালিক ৷

প্রসঙ্গত রাণা কাপুরকে গত শনিবার ই়ডি অফিসারেরা গ্রেফতার করে ৩০ ঘন্টা ধরে জেরার পরে ৷