মাদ্রিদ: গত বৃহস্পতিবার গেটাফের বিরুদ্ধে তাঁর পেনাল্টি গোলেই খেতাবের গন্ধ পেয়ে গিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ শিবির। লাস্ট ল্যাপে এসে পা হড়কানো মানেই বিপদ। তাই পারফরম্যান্স যাই হোক না কেন, তিন পয়েন্টই বোধহয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে। গেটাফেকে হারিয়ে দ্বিতীয়স্থানে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে চার পয়েন্টের খানিকটা নিরাপদ ব্যবধান তৈরি করা গিয়েছিল।

আর সেই ব্যবধান ধরে রাখতে বিলবাও’য়ের বিরুদ্ধেও প্রয়োজন ছিল তিন পয়েন্টের। গত ম্যাচের মতোই একসময় এদিনও অ্যাওয়ে ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছিল লস ব্ল্যাঙ্কোস শিবিরে। কিন্তু তিন পয়েন্ট এনে দিল দ্বিতীয়ার্ধে স্পটকিক থেকে অধিনায়ক সার্জিও রামোসের গোল। এই নিয়ে টানা চার ম্যাচে ক্লিনশিট রাখতে সক্ষম হল রিয়াল মাদ্রিদ রক্ষণ।

যা ভীষণই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিচ্ছে তিন পয়েন্ট ঘরে তোলার ক্ষেত্রে। রবিবার অ্যাথলেটিক বিলবাওকে হারিয়ে লকডাউন পরবর্তী সাত ম্যাচে টানা জয় তুলে নিল জিদানের ছেলেরা। যা চার ম্যাচ বাকি থাকতে খেতাবের লক্ষ্যে তাঁদের আর একধাপ এগিয়ে দিল বলা যায়।

প্রথমার্ধে রিয়ালের বিক্ষিপ্ত কিছু সুযোগ বিলবাও গোলরক্ষকের দস্তানায় প্রতিহত হয়। অপরদিকে রাউল গার্সিয়ার একটি জোরালো হেড থিবো কুর্তোয়া প্রতিহত করলে প্রথমার্ধ গোলশূন্যই শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধেও রিয়াল গোল তুলে নেওয়ার আগে বলার মতো কিছু ঘটেনি।

বল ধরে বক্সে আগুয়ান লেফট-ব্যাক মার্সেলো অবৈধ উপায়ে বাধা পেলে পেনাল্টি পায় রিয়াল। ৭৩ মিনিটে ঠান্ডা মাথায় সেই পেনাল্টি জালে রাখেন রামোস। আর এই গোলেই তিন পয়েন্ট নিশ্চিত হয় লস ব্ল্যাঙ্কোস শিবিরে।

গেটাফের বিরুদ্ধেও গত ম্যাচে প্রথমার্ধ নিষ্ফলা থাকার পর ৭৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকেই গোল করেন রামোস। বিলবাওয়ের বিরুদ্ধে জয় রিয়াল মাদ্রিদকে ৭ পয়েন্ট এগিয়ে দিল বার্সেলোনার চেয়ে। ৩৪ ম্যাচে জিদানের অ্যান্ড কোম্পানির সংগ্রহ ৭৭ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে বার্সেলোনার ঝুলিতে ৭০ পয়েন্ট। রাতে ভিল্লারিয়ালের বিরুদ্ধে নামছে বার্সা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ