মাদ্রিদ: রিয়াল মাদ্রিদ হয়তো আর পয়েন্ট খোয়াবে না। সেভিয়ার বিরুদ্ধে পয়েন্ট খোয়ানোর পর বার্সেলোনা ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে এমনটাই জানিয়েছিলেন। যদিও কিকে সেতিয়েন জানিয়েছিলেন তিনি নিশ্চিত পা হড়কাবেই রিয়ালের। তবে লকডাউন পরবর্তী ৬ ম্যাচ থেকে এখনও অবধি পুরো ১৮ পয়েন্ট তুলে নিয়েই খেতাবের দিকে একটু-একটু করে এগিয়ে যাচ্ছে লস ব্ল্যাঙ্কোসরা।

পদস্খলন নয় বরং বার্সার দেওয়া উপুর্যপরি সুযোগগুলো যথাযথ কাজে লাগিয়ে লাস্ট ল্যাপে বড়সড় অ্যাডভান্টেজ নিল জিদানের দল। গেটাফে ম্যাচের আগে দলকে সাবধান করেছিলেন ‘জিজু’। খুব সহজে জয় না এলেও এই মুহূর্তে তিন পয়েন্টটাই যে আসল সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর সে ব্যাপারে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এদিন একবার ফের ত্রাতার ভূমিকায় অধিনায়ক সার্জিও রামোস। এদিন মাদ্রিদের জার্সি গায়ে রামোসের ছিল ৪৫০তম ম্যাচ। আর মাইলস্টোন ম্যাচে ফের একবার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে তিন পয়েন্ট এনে দিলেন স্প্যানিয়ার্ড।

গত ম্যাচে এস্প্যানিয়লের বিরুদ্ধে জয় রিয়ালকে বার্সার চেয়ে দু’পয়েন্ট এগিয়ে দিয়েছিল লিগ টেবিলে। মঙ্গলবার অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে মেসিদের ড্র’য়ের ফলে সেই ব্যবধানটা আরও বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ চলে আসে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে। অ্যালফ্রেডো দি স্তেফানো স্টেডিয়ামে এদিন গেটাফের বিরুদ্ধে নামার আগে বার্সার চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলে এক পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন রামোসরা। গেটাফের বিরুদ্ধে এদিন একটা সময় রিয়ালেরও পয়েন্ট খোয়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থাতেই।

৭৮ মিনিটে ডানপ্রান্তিক আক্রমণে বল ধরে বিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে কাট করে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন ড্যানি কার্ভাহাল। কিন্তু অবৈধ উপায়ে তাঁকে বাধা দেন সেই ডিফেন্ডার। নায্য পেনাল্টি পায় রিয়াল। স্পটকিক থেকে নিশানায় অব্যর্থ থেকে দলের তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেন রামোস। জয়ের ফলে ৩৩ ম্যাচ থেকে রিয়াল মাদ্রিদের সংগ্রহে ৭৪ পয়েন্ট। সমসংখ্যক ম্যাচে বার্সেলোনার সংগ্রহ ৭০ পয়েন্ট। পাঁচ ম্যাচ বাকি থাকতে বার্সার চেয়ে চার পয়েন্ট এগিয়ে গিয়ে খেতাবের গন্ধ রিয়াল মাদ্রিদ শিবিরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।