কোটা (রাজস্থান): বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন যোগগুরু রামদেব৷ আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে যোগগুরুর যোগমঞ্চেই সবচেয়ে বেশি জমায়েত ৷ দেড় লাখের বেশি মানুষের সঙ্গে যোগাসন করলেন রামদেব বাবা৷ যা রেকর্ড ছুঁল৷

রাজস্থানের কোটায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করেন রামদেব৷ বিশ্বর রেকর্ড গড়তেই দেড় লাখের উপরে জমায়েতের ব্যবস্থা করা হয়৷ যোগগুরুর জনপ্রিয়তা এতটাই যে দেড় লাখ ছাড়িয়ে ভিড় ক্রমষ বাড়তে থাকে৷ বিশ্ব রেকর্ডের শংসাপত্র হাতে নিয়ে রামদেব জানান, একসঙ্গে দেড় লাখ মানুষের জমায়েতে আমি অভিভূত৷ মানুষের মধ্যে যোগাসনের উৎসাহ বাড়ছে৷

বিশ্ব রেকর্ড আসলে যোগসনে মানুষের জয়৷ অনুষ্ঠানে অপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে৷ রামদেবকে বিশ্ব রেকর্ডের শংসাপত্র হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী৷ আন্তর্জাতি যোগ দিবস উপলক্ষে দেশ জুড়ে রেকর্ড ছোঁয়ার ধুম৷ বরফের লাদাকে সেনাদের সূর্যপ্রণাম, বা এক বুক জলে দাঁড়িয়ে জওয়ানদের যোগাসন, সহ মোট ১০০টি বিশ্ব রেকর্ড হয়েছে৷ যা গর্বের বলে মনে করছেন রামদেব বাবা৷

যোগাসন মঞ্চে ছিলেন পতঞ্জলির কোফাইউন্ডার আচার্য বালকৃষ্ণ৷ রামদেব জানান, যোগাসনে অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগই পডুয়া৷ যা যোগাসনকে আরও ইতিবাচক করে তুলেছে৷ গোটা দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে চতুর্থ আন্তর্জাতিক যোগা দিবস৷ দেরাদুনের ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে যোগ দিবসের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

এর পর দেশের যোগ শিবিরগুলিতে যোগ ব্যায়াম করতে দেখা গেল উপরাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে একঝাঁক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীদের৷ ৷ বিশ্ব দরবারে যোগাসনকে প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ ২০১৫ সালের ২১ জুন যোগ দিবসের সূত্রপাত৷ সেদিন দিল্লির রাজপথে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের সঙ্গে যোগাসন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে যোগাসনকে আন্তর্জাতিক ভাবে উদযাপনের বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী৷ যা মান্যতা দেয় রাষ্ট্রসংঘ৷ তারপর থেকেই বিশ্বব্যাপী যোগ দিবস পালন করা হয়৷তবে দেশবাসীকে যোগাসনে উৎসাহিত করতে রামদেবে ও পতঞ্জলী যোগপীঠের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে স্বীকার করেছেন খোদ মোদী৷ রামদেবকে বিশ্বরেকর্ড গড়ার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I