ঢাকা: প্রতিবেশী ভারতে রামনন্দির ভূমি পূজা ঘিরে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা উদ্বেগে আছেন। এর কারণে বাংলাদেশে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির তৈরি না হয় তার জন্য সতর্ক থাকুক সরকার।

ভয়েস অফ আমেরিকা সংবাদ মাধ্যমে এমনই জানিয়েছেন, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মহাসচিব রানা দাশগুপ্ত।

তিনি বলেন, ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বিষয়টির নিষ্পত্তি এবং এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন।দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রোধে বাংলাদেশ সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা এখনই গ্রহণ করতে হবে। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ভারতের সর্বচ্চো আদালতের রায়ে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বিতর্কিত জমির একাং রাম লালার জন্মস্থল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

স্পর্শকাতর এই মামলা ঘিরে কোনওরকম ধর্মীয় উত্তেজনা যাতে না ছড়ায় তার জন্য বাংলাদেশ সরকার কড়া ভূমিকা নিয়েছে। ১৯৯২ সালে এখানেই ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ উন্মত্ত করসেবকদের হামলায় গুঁড়িয়ে যায়। সেই ঘটনার জেরে ধর্মীয় গোষ্ঠী সংঘর্ষ হয় ভারতে। আর বাংলাদেশেও আক্রান্ত হন সংখ্যালঘুরা।

প্রতিবেশী দেশের অতি স্পর্শকাতর এই বিষয়টির দিকে লক্ষ্য রেখে চলেছে বাংলাদেশ সরকার। বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন আগেই জানিয়েছেন রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হতে দেবে না ঢাকা।

কিন্তু ভারতেরও এমন কিছু করার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়, যাতে আমাদের সুন্দর ও গভীর সম্পর্কে আঘাত লাগে। ভারতের প্রথম সারির ইংরাজি সংবাদপত্র ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকায় বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের এই মন্তব্য প্রকাশিত হতেই প্রতিক্রিয়া জানায় নয়াদিল্লি।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, দুই পক্ষই পারস্পরিক সংবেদনশীল অবস্থার কথা বোঝে। পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দুই দেশই সম্পর্ককে আরো ভালো করার চেষ্টা করবে। রাম মন্দিরের ভূমি পূজা অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইঁট গাঁথবেন।

এই অনুষ্ঠান ঘিরে অযোধ্যা নগরীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি রয়েছে। বাংলাদেশেও সংখ্যালঘু হিন্দুরা শ্রী রামের মন্দির ভয়েস অফ আমেরিকা জানাচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে রাম মন্দির নির্মাণের উদ্বোধন সম্পর্কে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা