স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : রাম বিজয় হচ্ছে সঠিক দিনক্ষণ মেনেই। টালবাহানা চলছিল। খবর ছড়িয়ে পরে বিসর্জনের দিন বিসর্জন হবে না রামরাজাতলার বিশাল রামমূর্তির। এবার সেই টালবাহান মিটেছে।

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নবান্নের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। জানানো হয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত প্রশাসনিক নিয়ম বিধি মেনে ২৫০ বছরের বেশি পুরনো এই রামের বিসর্জন সমস্ত প্রথা অনুযায়ী ১৬ আগস্ট অর্থাৎ শ্রাবণের শেষ রবিবারেী হবে। রামরাজাতলার শ্রী রামের সঙ্গে নিয়ম মেনে বিসর্জন হবে ইছাপুরের মা শমিচন্ডী। যাবে গঙ্গাবক্ষে নিরঞ্জনের জন্য। তবে এই বছর ১৬ ই আগস্ট রামবিজয়ার দিনেও জনসমাগম নিষিদ্ধ থাকবে, পুলিশের উপস্থিতিতে অল্প কিছু স্বেচ্ছাসেবক রামের লৌহ নির্মিত গাড়ি ২৬টি প্রতিমাসহ টেনে নিয়ে যাবে গঙ্গার রামকৃষ্ণপুর ঘাটে ।

এই বছর রামমন্দিরকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। গতবছর রামবিজয়ার পর থেকেই মন্দিরের পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছিলো । বহুপ্রাচীন নাটমন্দিরের টিনের চালের কাঠামো ভেঙে নতুন মন্দির চত্বর তৈরি হয়। মূল মন্দিরের ঠিক উল্টোদিকে নির্মিত হয়েছে তিনটে ছোট মন্দির। একটিতে রয়েছেন নবনির্মিত রাম-সীতা, যারা বিশাল মূর্তি চলে যাবার পরে সারা বছর শোভা ছড়াবে মন্দির চত্বরে। দুপাশের একটি মহাদেব শিবের জন্য বরাদ্দ এবং অপরটি রাধাকৃষ্ণ মন্দির। সেগুলিতে সারা বছর ধরে পুজা পাঠ চলবে।

মূল মন্দিরে প্রতিবছরের মতো কুমারটুলির গৌর পালের বংশধর নির্মিত মাটির সুবিশাল প্রতিমা নির্মিত হয়ে পূজিত হবে রামনবমী থেকে রামবিজয়া পর্যন্ত। এবছরে বামন অবতার চলে এসেছে রামমন্দিরের ডান পাশে, বামদিকে মহাবীর হনুমানের মন্দির আগে থেকেই ছিল। সেটিও পুনর্গঠিত হয়েছে। আগামী বছরে সাবিত্রী-সত্যবান ও যমরাজের মন্দির বামন অবতারের পাশেই স্থান পাবে। এই মন্দির ও পূজা ঘিরে স্থানীয় মানুষের যে আবেগ রয়েছে তা এবছরে করোনা পরিস্থিতিতে পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়নি। মেলাও বসতে পারেনি, যে মেলা ভারতের দীর্ঘতম মেলা ; প্রায় চারমাস ধরে মেলা চলে এখানে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও