নাগপুর: রাম মন্দির নির্মাণ কোনও রাজনৈতিক ইস্যু নয়, এটা সম্পূর্ণ গর্বের এবং লক্ষ লক্ষ ভক্তদের বিশ্বাসের বিষয়, ঠিক এমনটাই মনে করেন শিবসেনা নেতা এবং মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী একনাথ সিন্দে।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাম্প্রতিক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, রাম মন্দিরের যারা বিরধিতা করছেন তাঁদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। সেই প্রসঙ্গে উত্তর দিতেই সিন্দে জানান, “রাম মন্দির কোনও রাজনৈতিক ইস্যু নয়। এটা সম্পূর্ণ গর্বের এবং ভগবান রামের লক্ষ লক্ষ ভক্তদের বিশ্বাসের বিষয়”।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শিবসেনা প্রধান উদ্ধভ ঠাকরে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেই অযোধ্যা গিয়েছিলেন। এটা সম্পূর্ণ বিশ্বাস এবং ভক্তির বিষয়”।

শিবসেনার দাবি জানিয়েছে, ৫ অগাষ্ট রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর আগে আইনী সব লড়াই মিটিয়ে ফেলা উচিত বিজেপির। যেসব বিজেপি নেতা বাবরি মসজিদ মামলায় জড়িত, তাঁদের ওপর থেকে মামলা তুলে নেওয়া উচিত।

শিবসেনার দাবি সুপ্রিম কোর্টে মামলা যখন রাম মন্দির গঠনের পক্ষে রায় দিয়েছে, তখন মুরলি মনোহর যোশী বা লালকৃষ্ণ আদবানির মতো বর্ষীয়ানদের বিরুদ্ধে বহু বছর ধরে চলে আসা বাবরি মসজিদ মামলাও চালিয়ে যাওয়ার কোনও অর্থ হয় না।

এদিকে ভূমিপূজোকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র আলোড়ন। কংগ্রেস জানিয়েছে, রাম মন্দিরের এই কাজে সকল রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো উচিত।

এ নিয়ে কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সালমান খুরশিদ বলেন, ‘আদালতের রায়ের পর রাম মন্দির নিয়ে সমস্ত বিবাদ আমরা পিছনে ফেলে এসেছি। তবে আমাদের মনে হয়, মন্দির নির্মাতাদের ভূমি পূজায় সকল রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো উচিৎ।’

৫ অগাস্ট মহারাষ্ট্রে রাম মন্দির নির্মাণে ভূমিপুজোয় আমন্ত্রিত রয়েছেন শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধভ ঠাকরে। তিনি সেদিন সেখানে উপস্থিত থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, মোদী-অমিত শাহরা থাকবেন বলেই এখনও অবধি জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগে অন্য কোনও সমীকরণ তৈরি হতে পারে শিবসেনা বিজেপির মধ্যে এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ