মুম্বই: রাম মন্দির নির্মাণের জন্য বুধবার অযোধ্যায় ভূমি পুজা অনুষ্ঠান। এমন ঘটনায় তাদের দলীয় প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে।এই অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে শিবসেনা নেতা এমন অভিমত প্রকাশ করলেন। সেনার রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় রাউত ‘বালাসাহেবের স্বপ্নপূরণ’ গ্রাফিক পড়ে টুইটারে শেয়ার করেছেন। পাশাপাশি ওই গ্রাফিক মারফত চিত্রিত হয়েছে মন্দির ।

তাছাড়া এই শিবসেনা নেতা দলীয় অনুসরণকারীদের আখ্যা দিয়েছেন হিন্দু হৃদয় সম্রাট। শিবসেনা নেতৃত্বাধীন মহা বিকাশ আগাধি সরকারের অন্যতম শরিক দল এনসিপি জানিয়েছে, এই অনুষ্ঠান সকলের কাছেই আনন্দের বিষয় যেহেতু প্রভু রাম সকল ভারতীয়েরই দেবতা।

রাজ্য এনসিপির প্রধান এবং মন্ত্রী জয়ন্ত পাতিল জানিয়েছেন, তিনি সবসময় সংলি জেলায় তার নির্বাচনী কেন্দ্রে মন্দিরে রামের পূজা করে থাকেন। বুধবার পুণ্য লগ্নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়।

গোটা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে ভূমি পূজা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ‌ পুজোয় উপস্থিত ছিলেন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ছিলেন মোহন ভাগবত। এছাড়া বেশকিছু সাধু-সন্তরা। নির্ধারিত সময়ে এদিন অযোধ্যায় আসেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি প্রথমেই চলে যান হনুমান গড়িতে।

সেখানে আরতি করেন। তারপর সেখান থেকে চলে যান রামলালার অস্থায়ী মন্দিরে। সেখানেও পুজো করেন মোদী। রাম জন্মভূমিতে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন তিনি। তারপর সেখান থেকে সরাসরি পূজার অনুষ্ঠানে চলে যান প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।