অযোধ্যা : রামমন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হল অযোধ্যায়। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মহন্ত নৃত্যগোপাল দাসের হাত ধরে পুজোর পর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। রাম লাল্লার মূর্তিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করার পরেই নির্মাণ কাজ শুরু করার ঘোষণা করেন তিনি। মঙ্গলবার সকালেই রাম জন্মভূমিতে পুজো শুরু হয়। ২৭ বছর পর ২৫শে মার্চ রামের মূর্তি অস্থায়ী মন্দির থেকে সরিয়ে একটি পালকি করে নিয়ে যাওয়া হয় মানস ভবনে। এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

অস্থায়ী মন্দিরটি বুলেটপ্রুফ ও ফাইবার দিয়ে তৈরি। প্রায় শতাব্দীপ্রাচীন বিতর্ক মিটিয়ে ২০১৯ সালের ৯ই নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট জানায় অযোধ্যার বিতর্কিত জমি পাচ্ছেন হিন্দুরাই, তৈরি হবে রাম মন্দির।বিতর্কিত জমি বাদে অযোধ্যায় ৫ একর জমি দেওয়া হবে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে। সেখানে তৈরি হতে পারে মসজিদ।

এছাড়াও শীর্ষ আদালত জানিয়ে ছিল ৩-৪ মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে বিশেষ স্কিম তৈরি করতে হবে। যাতে বিতর্কিত জমি মন্দির পক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয় ও অন্য পাঁচ একর জমি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার আচার্য সত্যেন্দ্র দাস আশাপ্রকাশ করেন রাম মন্দির গঠনে টাকার কোনও অভাব হবে না। ইতিমধ্যেই রামমন্দির নির্মাণের জন্য মোটা অঙ্কের অনুদান জমা পড়েছে। এর আগে, এপ্রিল মাসে করোনা ভাইরাসের হামলার জেরে পিছিয়ে যায় অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণের ভূমি পুজো। পরিস্থিতির কথা বিচার করে ভূমি পুজোর অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট।

ram mandir -1

পাশাপাশি, কেন্দ্রের প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয় অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির জন্য দেওয়া অনুদানে কর ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আয়কর আইনের ৮০-জি ধারা অনুযায়ী, ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ বা উপাসনার জায়গা তৈরিতে এই ছাড় মেলে। শ্রীরামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টও সেই আইন অনুযায়ী রাম মন্দির তৈরির জন্য করমুক্তির আবেদন জানায়। শ্রীরামজন্মভূমি ট্রাস্টের সেই আবেদনে সাড়া দেয় কেন্দ্রীয় সরকার।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব